বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ৬৫০ থেকে ৮৫০ টাকা আদায়: শত্রুজিতপুরে সারের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ায় ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ৬৫০ থেকে ৮৫০ টাকা আদায়: শত্রুজিতপুরে সারের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ায় ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ৬৫০ থেকে ৮৫০ টাকা আদায়: শত্রুজিতপুরে সারের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ায় ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা


মাগুরা সদর উপজেলার শত্রুজিতপুর বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগে এক বিসিআইসি সার ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাগুরা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে শত্রুজিতপুর বাজারে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বিসিআইসি সার ডিলার, মুদিদোকানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয়কারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়।
 

অভিযান চলাকালে মেসার্স সনজিত কুমার সাহা নামের বিসিআইসি সার ডিলার প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, সরকার নির্ধারিত প্রতি বস্তা টিএসপি সারের মূল্য ১ হাজার ৩৫০ টাকা হলেও তা ২ হাজার ২০০ টাকায় এবং প্রতি বস্তা ডিএপি সারের মূল্য ১ হাজার ৫০ টাকা হলেও ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। অর্থাৎ প্রতি বস্তা টিএসপিতে ৮৫০ টাকা এবং ডিএপিতে ৬৫০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছিল।
 

এছাড়া অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলেও ক্রেতাদের কোনো ভাউচার দেওয়া হয়নি এবং বিক্রির তথ্য রেজিস্টারেও সংরক্ষণ করা হয়নি। অভিযানের সময় দুইজন কৃষকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত হন কর্মকর্তারা। কৃষকরা জানান, অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হলেও তাদের কোনো ভাউচার দেওয়া হয়নি।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, কৃষকদের স্বল্পমূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি প্রদান করে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অনিয়মের কারণে কৃষকদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে, যা কৃষক ও কৃষি খাতের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
 

এসব অনিয়মের প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ও ৪৫ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ। এ সময় জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম এবং মাগুরা জেলা পুলিশের একটি টিম 

অভিযানে সহযোগিতা করেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। 


মো: সাজ্জাদ হোসেন, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি: