প্রতি সপ্তাহে নতুন সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের জন্য দর্শকদের নজর থাকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। এ সপ্তাহেও মুক্তি পাচ্ছে নানা দেশের, নানা ভাষার কনটেন্ট। বাছাই করা এমন কিছু কনটেন্টের খোঁজ থাকছে এ প্রতিবেদনে।
ছদ্মবেশী (বাংলা সিরিজ)
মুক্তি: হইচই (১০ জুলাই)
অভিনয়: পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ঋতাভরী চক্রবর্তী, পায়েল সরকার
গল্পসংক্ষেপ: প্রবীণ অভিনেত্রী মন্দাকিনী চৌধুরী বুঝতে পারে, আপনজনদের মধ্যেই কেউ তাকে হত্যার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে তদন্তের দায়িত্ব পায় খ্যাপাটে গোয়েন্দা আদিত্য মজুমদার। আভিজাত্য আর ভদ্রতার মুখোশ পরা এই পরিবারের মানুষগুলোর লোভ, পরকীয়া ও পারস্পরিক ষড়যন্ত্রের জাল কেটে কীভাবে সে আসল অপরাধীকে খুঁজে বের করে, তা নিয়েই সিরিজের গল্প।
পতি পত্নী অউর ওহ দো (হিন্দি সিনেমা)
মুক্তি: নেটফ্লিক্স (১০ জুলাই)
অভিনয়: আয়ুষ্মান খুরানা, ওয়ামিকা গাব্বি, সারা আলী খান, রাকুল প্রীত সিং
গল্পসংক্ষেপ: বন কর্মকর্তা প্রজাপতি পাণ্ডে তার সাংবাদিক স্ত্রী অপর্ণার সঙ্গে সুখী জীবন কাটাচ্ছিল। কিন্তু কলেজের বান্ধবী চঞ্চলের পালিয়ে বিয়ের পরিকল্পনায় সাহায্য করতে গিয়ে সে জটিলতায় জড়িয়ে পড়ে। তিন নারীর মাঝে পড়ে তার জীবন তছনছ হওয়ার উপক্রম হয়। এই পরিস্থিতিতে জঙ্গল থেকে একটি হিংস্র নেকড়ে ধরার দায়িত্ব পড়ে প্রজাপতির ওপর।
ল্যান্ড অব ফুটবল (ডকুমেন্টারি সিরিজ)
মুক্তি: জিও হটস্টার (১০ জুলাই)
বিষয়বস্তু: হাসিফ হাকিম পরিচালিত এই তথ্যচিত্রে দেখানো হয়েছে কেরালার মানুষের ফুটবলপ্রীতি। উঠে এসেছে পাড়া-মহল্লার ম্যাচ থেকে শুরু করে বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনার চিত্র। কীভাবে ফুটবল হয়ে উঠল সেখানকার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, খোঁজা হয়েছে সেই উত্তর।
লিটল হাউস অন দ্য প্রেইরি (ইংরেজি সিরিজ)
মুক্তি: নেটফ্লিক্স (৯ জুলাই)
অভিনয়: অ্যালিস হ্যালসি, লিউক ব্রেসি, ক্রসবি ফিটজেরাল্ড, স্কাইওয়াকার হিউজ
গল্পসংক্ষেপ: মার্কিন গৃহযুদ্ধের পর ইঙ্গলস পরিবার উন্নত জীবনের আশায় ৮০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে প্রেইরির এক নির্জন তৃণভূমিতে নতুন বসতি স্থাপন করে। আট বছর বয়সী লরার চোখে তাদের এই নতুন জীবন গড়ার সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সিরিজে। মূলত এটি প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার লড়াই ও পারিবারিক বন্ধনের আবেগঘন গল্প।
ইক্কা (হিন্দি সিনেমা)
অভিনয়: নেটফ্লিক্স (১০ জুলাই)
অভিনয়: সানি দেওল, অক্ষয় খান্না, দিয়া মির্জা
গল্পসংক্ষেপ: প্রিয়জনের জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে নীতিবান আইনজীবী অর্জুন মেহরাকে এক খুনের মামলার আসামির পক্ষে দাঁড়াতে হয়। সেই আসামি আর কেউ নয়, তার পুরোনো পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বী শৌর্যমান; যার ক্যারিয়ার অতীতে অর্জুনের কারণে ধ্বংস হয়েছিল। একদিকে অর্জুনের নিজের নৈতিকতা, অন্যদিকে পরিবারের সুরক্ষা—সব মিলিয়ে এক চরম মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন।