এবারের বন্যায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হইয়েছে,
পাকা বিল্ডিং, মসজিদ, মাদ্রাসা, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট সহ মৎস প্রজেক্ট, মুরগির খামার, চাষের ফসলসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হইছে।
এছাড়াও সাতকানিয়ার পৌরসভার দক্ষিণ সামিয়ার পাড়ায় বন্যায় ভেঙ্গে গেছে ১তলা বাড়ি সম্পূর্ণ বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়।
১৩ জুলাই) থেকে বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও, উপজেলার নিম্নাঞ্চলে এখনো হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে রয়েছে। পানিবন্দি থাকার পর বন্যাকবলিত মানুষ এখন খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, কাদা ও আবর্জনায় ভরে যাওয়া ঘরবাড়ি পরিষ্কার, নষ্ট হয়ে যাওয়া আসবাবপত্র এবং জীবিকা পুনরুদ্ধারের মতো নতুন সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন।
সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া, ঢেমশা, বাজালিয়া, সোনাকানিয়া ও কালিয়াইশ, নলুয়া, আমিলাইষ ইউনিয়নের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে এখনো পানি পুরোপুরি নামেনি। অনেক পরিবার ঘরে ফিরলেও, কাদা ও দুর্গন্ধে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বাড়িঘর। বন্যায় ঘরের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, কাপড়চোপড় এবং মজুত রাখা চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক পরিবার এখন রান্না করার মতো পরিবেশও পাচ্ছে না।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার কৃষি খাত। বিস্তীর্ণ এলাকার আমনের বীজতলা, সবজিখেত ও মাছের ঘের বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষক বছরের একমাত্র আয়ের উৎস হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পানি পুরোপুরি না নামলে, ফসলের ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। একইসঙ্গে মাছের ঘের ভেসে যাওয়ায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
বিশেষ করে সাঙ্গু নদী ও ডলু খাল সংলগ্ন ঘরবাড়ি, মসজিদ,দোকানপাট ও বিভিন্ন সড়ক,কবরস্থান গুলো ব্যাপক বন্যার পানির ভাঙ্গনের শিকার হন।।
মোঃ কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ, প্রতিনিধি।
