পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-কে রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব পাস করেছে পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলি। প্রস্তাবে দাবি করা হয়, ইমরান খান রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন।
ইমরান খানকে ঘিরে পাকিস্তানের রাজনৈতিক টানাপোড়েন নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি ইমরানকে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যা দেন দেশটির আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর বা আইএসপিআর-এর মহাপরিচালক আহমেদ শরীফ চৌধুরী।
জবাবে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ এই মন্তব্যকে অযৌক্তিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে আখ্যা দেয়। পাকিস্তান সরকার ও পিটিআইয়ের এই মুখোমুখি অবস্থানে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ইমরান খান ও তার দলকে রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব পাস করেছে পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলি।
প্রস্তাবে অভিযোগ করা হয়, ইমরান খান রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা ছড়াচ্ছেন। পিটিআই এমপিরা বয়কট করায় তাদের অনুপস্থিতিতেই প্রস্তাবটি পাস হয়।
আরও পড়ুন: আসিম মুনির ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’, কারাগার থেকে ইমরান খানের তোপ
এদিকে, পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারের কাছে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন ইমরান খানের বোন আলেমা খান। পাকিস্তানের গণমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইমরানের সঙ্গে আবারো দেখা করতে দেয়ার ক্ষেত্রে অস্বীকৃতি জানানোর পর তিনি অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন।
এর আগে ইমরান খানের বোনেরা অভিযোগ করেন, পাকিস্তানের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো হচ্ছে না এবং মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। উজমার সবশেষ সাক্ষাৎ ছিল মাত্র ২০ মিনিটের, যা অনুমতি পেতে লেগেছিল প্রায় এক মাস।
পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর আলী খান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা কখনই ‘মাইনাস’ হতে পারেন না।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, এখনও ইমরান পাকিস্তানের মানুষের সমর্থিত একটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তি
