নোয়াখালীর অসহায় মানুষের পাশে নীরব মানবিক যোদ্ধা; শিক্ষা, চিকিৎসা ও দুর্যোগে সহায়তায় রেখে চলেছেন অনন্য অবদাননোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নবগ্রামের কৃতী সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মালদ্বীপ প্রবাসী আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়া মানবিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকাবাসীর হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। প্রয়াত সমাজসেবক মরহুম আবুল হোসেন হাসেম মিয়ার সুযোগ্য দ্বিতীয় সন্তান হিসেবে তিনি প্রবাসে অবস্থান করেও নিজ জন্মভূমির অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন।
পেশাগত কারণে দীর্ঘদিন মালদ্বীপে বসবাস করলেও তার হৃদয়ের টান সবসময় নিজ গ্রাম ধানসিঁড়ির মানুষের প্রতি। আধুনিক প্রযুক্তি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে তিনি নিয়মিত এলাকার খোঁজখবর রাখেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আর্থিক ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অসচ্ছল পরিবারের আর্থিক সহায়তা, অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন, মেধাবী কিন্তু দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, পবিত্র রমজানে খাদ্যসামগ্রী প্রদান এবং করোনা মহামারি ও সাম্প্রতিক বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রবাসে থাকলেও আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়ার মন সবসময় পড়ে থাকে নিজের গ্রামের মানুষের কাছে। যেকোনো বিপদ-আপদে তিনি নীরবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে মানুষের জন্য কাজ করাই তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
গতকাল রোজ বুধবার বিকেলে সাক্ষাৎকালে আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি এ বিষয়ে আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মানুষের সেবা করার মধ্যেই প্রকৃত শান্তি ও তৃপ্তি রয়েছে। মহান আল্লাহ আমাকে যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন, তা দিয়ে জন্মভূমির অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছি। আল্লাহ তায়ালা সুযোগ দিলে আজীবন ধানসিঁড়ি তথা কবিরহাটের মানুষের পাশে থাকতে চাই।”
এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়ার এই নিঃস্বার্থ মানবিক উদ্যোগ শুধু নোয়াখালী নয়, দেশের সকল প্রবাসীর জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার এই সেবামূলক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও অনেককে মানবিক কাজে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করবে।
মোঃ আল আমিন,ষ্টাফ রিপোর্টার
