সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সূর্যবংশীর ব্যাটিং তাণ্ডবের রহস্য তাহলে এই

সূর্যবংশীর ব্যাটিং তাণ্ডবের রহস্য তাহলে এই

সূর্যবংশীর ব্যাটিং তাণ্ডবের রহস্য তাহলে এই

বয়স মাত্র ১৫ বছর। এই বয়সেও বৈভব সূর্যবংশী ব্যাট হাতে যা করছেন, তাতে ক্যারিয়ার শেষে আরো অনেক রেকর্ড নিশ্চয় নিজের করে নেবেন। 

মাত্র দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সিরিজেই ইতিহাস গড়েছেন সূর্যবংশী। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কাল সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৮১ রানের ইনিংস খেলেছেন ভারতের এই বিস্ময় বালক। হয়েছেন ম্যাচসেরা। তিন ম্যাচে দুটি ফিফটিতে ১৫১ রান করে জিতেছেন সিরিজসেরার পুরস্কারও। ১৫ বছর ১২১ দিন বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে সিরিজসেরা হওয়ার রেকর্ড গড়ার পর নিজের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের রহস্য জানিয়েছেন সূর্যবংশী। তার ভাষায়, অনুশীলনে যা করেন, সেটা ম্যাচে বাস্তবায়ন করাই তার ভয়ডরহীন ক্রিকেটের রহস্য।

কাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সূর্যবংশী বলেছেন, ‘আমি যে শটগুলো খেলি, সেগুলোরই অনুশীলন করি। অনুশীলনে যা করি, সেটাই ম্যাচে করার চেষ্টা করি।  

সূর্যবংশীর ব্যাটিংয়ের বিশেষ দিক হচ্ছে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মানসিকতা। তবে সেটিও দলের প্রয়োজন থেকেই আসে বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে আমি যেভাবে খেলি, এখানেও (জাতীয় দলেও) একইভাবে খেলার চেষ্টা করেছি। তিন ম্যাচেই দলের জন্য ভালো শুরু এনে দেওয়া আমার লক্ষ্য ছিল। শুরুটা ভালো হলে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেছি। এটাই ছিল আমার একমাত্র পরিকল্পনা। 

সূর্যবংশীর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে সেখানে তার ইনিংস তিনটি ছিল ১৪, ১৩ ও ১৫। এবার জিম্বাবুয়েতে গিয়ে ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরার পুরস্কার জেতাকে স্বপ্নপূরণ হিসেবে দেখছেন সূর্যবংশী, ‘এটা সত্যিই স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত। প্রথম ম্যাচসেরা ও প্রথম সিরিজসেরার পুরস্কার পেয়েছি। আমি খুবই খুশি।’

সূর্যবংশীতে মুগ্ধ তার সতীর্থ ঈশান কিষানও। ভারতের এই টপ অর্ডার ব্যাটার বলেছেন, ‘বৈভব খুবই তুখোড় একজন ছেলে। সে ভালোভাবেই জানে, কী করছে। আমরা তাকে বলি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বাইরের কথায় কান দেওয়ার দরকার নেই। শুধু ক্রিকেট নিয়ে ভাবো।’

ভারতের ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণের চোখে সূর্যবংশীর সবচেয়ে বড় অর্জন শুধু রান করা নয়, কঠিন পিচে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করা, ‘আজ (গতকাল) আপনারা যে ইনিংসটি দেখেছেন, সেটি খুবই পরিণত একটি ইনিংস ছিল। পিচ ছিল ধীরগতির, বল থেমে আসছিল। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওকে আটকানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে সে তাদের পরিকল্পনার দারুণ জবাব দিয়েছে।’