অভিনন্দন ও শুভ জন্মদিন,
থিয়েটারের বরপুত্র রামেন্দু মজুমদার!
আজ, ৯ আগস্ট, বাংলাদেশের খ্যাতনামা সংবাদপাঠক, অভিনেতা, মঞ্চ নির্দেশক ও নির্মাতা রামেন্দু মজুমদার–এর ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
জন্ম: ১৯৪১ সালের ৯ আগস্ট, লক্ষ্মীপুরে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে বিএ (অনার্স) ও এমএ পাস। শিক্ষকতা, বিজ্ঞাপন, মঞ্চ—সবদিকেই উজ্জ্বল তাঁর যাত্রা।
পাকিস্তানের করাচিতে বিজ্ঞাপন শিল্পে প্রবেশ (১৯৬৭), তারপর ১৯৭২-এ দেশে ফিরে ‘বিটপপি লিয়ো বার্নেট’–এ পরিচালক। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘এক্সপ্রেশন্স’—বর্তমানে তিনি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
থিয়েটার আন্দোলনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব
‘থিয়েটার’ নামক নাট্য সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ। চার দশকেরও বেশি সময় যাবৎ ‘থিয়েটার’ পত্রিকার সম্পাদক।
মঞ্চে অভিনয় শুরু ১৯৫৮ সালে, বেতার ১৯৬১, টেলিভিশন নাটক ১৯৬৫ সাল থেকে, সংবাদ পাঠ ও অভিনয়—সকল ক্ষেত্রে অব্যাহত অবদান।
আন্তর্জাতিক মর্যাদা ও স্বীকৃতি
২০০৯ সালে একুশে পদক লাভ – বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট (ITI)–এর বিশ্বব্যাপী সভাপতি নির্বাচিত, ২০০৮ ও ২০১১ সালে; তিনি হন দ্বিতীয় এশিয়ান যিনি এই পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।
এছাড়াও তিনি Dhaka Arts Centre-এর চেয়ারম্যান এবং Bangladesh Centre of ITI–এর প্রতিষ্ঠাতা অন্যতম।
অন্যান্য সম্মাননা ও পারিবারিক জীবন
সম্প্রতি তার দীর্ঘকালীন সার্জনশীলতা ও মঞ্চনিষ্ঠার জন্য বাচসাস সম্মাননা পেয়েছেন।
IFI C Bank সাংস্কৃতিকরত্ন সম্মাননা ২০২০–প্রাপ্ত।
স্ত্রী ফেরদৌসী মজুমদার, একজন কিংবদন্তি অভিনেত্রী; কন্যা ত্রপা মজুমদার, — উভয়েই অভিনয়ের অঙ্গনে প্রতিভাবান।
শুভ জন্মদিনের এই বিশেষ দিনে, রামেন্দু মজুমদারের অবদান স্মরণীয় ও অনুপ্রেরণাময় হোক—বাংলাদেশ নাট্য জগতে তাঁর আলোচনার কদর যুগ যুগ ধরে থাকবে, এ-ই কামনা করি!