সাগর হোসেন ফিরোজ
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
একসময় যে শহরের রাজপথে রাজনীতি করেছেন, সেই ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবার দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন—এ খবরে উচ্ছ্বসিত তাঁর নিজ জেলার মানুষ। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই ঠাকুরগাঁওজুড়ে শুরু হয় আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়। বিভিন্ন এলাকায় একে অপরকে অভিনন্দন জানান তারা। অনেকেই মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
শুধু দলীয় নেতাকর্মীর মধ্যেই নয়, জেলার সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়ে বিভিন্ন ধরনের শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ করেন ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের একজন সন্তান দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়া জেলার জন্য সম্মানের। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে মির্জা ফখরুলের এই অর্জনকে তাঁরা নিজেদের এলাকার একটি বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন।
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের নাম জাতীয় পর্যায়ে আরও উজ্জ্বল হয়েছে। নতুন দায়িত্বে তিনি দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে তাঁদের।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের খবরকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁও শহরের বিভিন্ন জায়গায় দিনভর চলে আলোচনা। রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কথাবার্তায়ও উঠে আসে জেলার কৃতী সন্তান মির্জা ফখরুলের নতুন দায়িত্বের প্রসঙ্গ।
এদিকে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনা করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে তিনি দেশের সংবিধান ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক গর্বের সঙ্গে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়।
