হাফিজুর রহমান
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
চোখের পলকেই প্রমত্ত তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে বসতভিটাসহ সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি গ্রামের রাবেয়া বেগম। নদীভাঙনের এই আকস্মিক দুর্বিপাকে অসহায় হয়ে পড়া রাবেয়া বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজারহাট উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানজিলা তাসনিম নিজ হাতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত রাবেয়া বেগমের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন।
সম্প্রতি তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে মুহূর্তের মধ্যেই রাবেয়া বেগমের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্বল হারিয়ে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। ঘর সরিয়ে নেওয়ারও পর্যাপ্ত সময় পাননি তিনি। এমন পরিস্থিতিতে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় উপজেলা প্রশাসন।
ইউএনও তানজিলা তাসনিমের এই মানবিক সহযোগিতায় কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন রাবেয়া বেগম ও তার পরিবার। দুর্যোগের দিনে প্রশাসনের এমন দ্রুত ও সহানুভূতিশীল উদ্যোগ অসহায় মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে প্রশাসনের এই ধরনের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে হঠাৎ করে সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলোর জন্য সরকারি সহায়তা তাদের দুর্দিনে বড় ভরসা হয়ে ওঠে।
রাবেয়া বেগমের মতো তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের পাশে প্রশাসন ও সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের সহযোগিতার হাত আরও প্রসারিত হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।