ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) নৌবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে একটি মার্কিন চালকবিহীন নৌযানে হামলা চালিয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ওই হামলার মাধ্যমে নৌযানটির ‘শত্রুতামূলক মিশন’ ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় সাত মিটার দীর্ঘ ‘সেইলড্রোন এক্সপ্লোরার’ দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থান করতে পারে। এতে ক্যামেরা, যোগাযোগ সরঞ্জাম ও বিভিন্ন ধরনের সেন্সর রয়েছে, যা নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং সমুদ্রপথ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা হয়।
তাসনিমের দাবি, মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিট ও টাস্ক ফোর্স-৫৯ অতীতে এই ধরনের নৌযান ব্যবহার করেছে। বর্তমানে এটি ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপের কাছে একটি ইউনিট পরিচালনা করছিল। ইরানের হামলায় বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটিগুলো অচল হয়ে পড়ার পর নৌযানটি সেখানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইআরজিসি নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা তাংসিরির বরাত দিয়ে তাসনিম জানায়, ‘সেইলড্রোন’টির গায়ে ৫৮৩৮ নম্বর ছিল এবং হরমুজ প্রণালিতে সেটিতে হামলা চালানো হয়।
তাংসিরি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি বন্ধ এবং এটি আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও স্মার্ট নিয়ন্ত্রণের আওতায় রয়েছে। যেকোনো শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ ১৪ জুলাই পুনরায় কার্যকর হওয়ার পর বিধিনিষেধ পুরোপুরি মেনে চলা নিশ্চিত করতে ৯৬টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে।
