শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকী

আজ বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকী

আজ বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকী

বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১২ সেপ্টেম্বর)। ২০০৯ সালের আজকের এই দিনে ৯৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন আব্দুল করিম। 


মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পারিবারিকভাবে সমাধিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ, মিলাদ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

শাহ আব্দুল করিমের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে রয়েছে- বন্দে মায়া লাগাইছে, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম, গাড়ি চলে না, কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু, বসন্ত বাতাসে সইগো। 

শাহ আব্দুল করিমের জন্ম ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। তার বাবা ইব্রাহিম আলী ও মা নাইওরজান। দরিদ্র ও জীবন সংগ্রামের মাঝে বড় হওয়া বাউল শাহ আব্দুল করিমের সংগীত সাধনার শুরু ছেলেবেলা থেকেই। শৈশব থেকেই একতারা ছিল তার নিত্যসঙ্গী। জীবন কেটেছে সাদাসিধেভাবে। বাউল ও আধ্যাত্মিক গানের তালিম নেন কমর উদ্দিন, সাধক রসিদ উদ্দিন ও শাহ ইব্রাহিম মোস্তান বকসের কাছ থেকে।
 
তিনি তার গানের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন প্রখ্যাত বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ ও দুদ্দু শাহের দর্শন থেকে। জীবিকা নির্বাহ করেছেন কৃষিকাজ করে। কিন্তু কোনো কিছু তাকে গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

শাহ আব্দুল করিমের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে রয়েছে- বন্দে মায়া লাগাইছে, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম, গাড়ি চলে না, কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু, বসন্ত বাতাসে সইগো। 

শাহ আব্দুল করিমের জন্ম ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। তার বাবা ইব্রাহিম আলী ও মা নাইওরজান। দরিদ্র ও জীবন সংগ্রামের মাঝে বড় হওয়া বাউল শাহ আব্দুল করিমের সংগীত সাধনার শুরু ছেলেবেলা থেকেই। শৈশব থেকেই একতারা ছিল তার নিত্যসঙ্গী। জীবন কেটেছে সাদাসিধেভাবে। বাউল ও আধ্যাত্মিক গানের তালিম নেন কমর উদ্দিন, সাধক রসিদ উদ্দিন ও শাহ ইব্রাহিম মোস্তান বকসের কাছ থেকে।
 
তিনি তার গানের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন প্রখ্যাত বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ ও দুদ্দু শাহের দর্শন থেকে। জীবিকা নির্বাহ করেছেন কৃষিকাজ করে। কিন্তু কোনো কিছু তাকে গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

শাহ আব্দুল করিম লিখেছেন ও সুর দিয়েছেন ১৬শর বেশি গানে, যেগুলো সাতটি বইয়ে গ্রন্থিত রয়েছে। বাংলা একাডেমির উদ্যোগে তার ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। কিশোর বয়স থেকে গান লিখলেও এসব গান শুধুমাত্র ভাটি অঞ্চলের মানুষের কাছেই জনপ্রিয় ছিল। তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে বেশ কয়েকজন তার গানগুলো নতুন করে গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এছাড়া এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিতি পায় তার গানগুলো।

বিনোদন প্রতিবেদক
মোহিত লাল সাহা