মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নওগাঁর মান্দা উপজেলার ৭নং প্রসাদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জামিল হোসেন। রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের সাবেক সভাপতি জামিল হোসেনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা। নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন দুর্যোগ ও উৎসবের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে জামিল হোসেন এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসা এবং খাদ্য, বস্ত্র ও আর্থিক সহযোগিতার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলে জানান অনেকে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, জামিল হোসেনকে বিপদে-আপদে কাছে পাওয়া যায়। তাঁদের প্রত্যাশা, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, অবকাঠামো, শিক্ষা, সামাজিক সেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব দেবেন। তবে নির্বাচনে তাঁর প্রকৃত জনসমর্থন কতটা, তা ভোটের মাঠে আরও স্পষ্ট হবে।
স্থানীয়দের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব হলো সাধারণ মানুষের কথা শোনা, এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সবার জন্য সমানভাবে কাজ করা। এ ক্ষেত্রে জামিল হোসেনের সামাজিক যোগাযোগ ও জনসম্পৃক্ততা নির্বাচনী আলোচনায় ভূমিকা রাখতে পারে।
আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে সততা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার সঙ্গে ৭ নম্বর প্রসাদপুর ইউনিয়নবাসীর সেবা করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তাঁর সমর্থকেরা। তাঁদের আশা, পরিকল্পিত উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রসাদপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন, তা নির্ভর করবে প্রার্থীদের যোগ্যতা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, জনসম্পৃক্ততা এবং ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর।