বাংলাদেশে ভ্যাট ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, সহজ ও স্বচ্ছ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বেশ কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগের ফলে করদাতা ও রাজস্ব প্রশাসন—উভয়ই উপকৃত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট খুলনার যুগ্ম কমিশনার মো. শাহীনূর কবীর পাভেল।
ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষে বরিশালের একটি হোটেল কনফারেন্স হলে আয়োজিত ব্যবসায়ী ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যুগ্ম কমিশনার মো. শাহীনূর কবীর পাভেল বলেন, ঘরে বসে অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন, ই-রিটার্ন দাখিল ও ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হওয়ায় কর পরিশোধের প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়েছে। এতে করদাতাদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। একই সঙ্গে এনবিআরের কার্যক্রমও আরও গতিশীল ও দক্ষ হয়েছে।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছায় ভ্যাট প্রদান উৎসাহিত করা, কর ফাঁকি কমানো এবং রাজস্ব আদায় বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘সময়মতো নিবন্ধন নেব, সঠিকভাবে ভ্যাট দেব’—এই প্রতিপাদ্যে নাগরিক সমাজকে ভ্যাট প্রদানে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
যুগ্ম কমিশনার আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকারের অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভ্যাট ও কর পরিশোধ জরুরি। ভ্যাট কোনো বোঝা নয়; এটি জনগণের কল্যাণেই ব্যয় হয়। ভ্যাটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধাগুলো প্রচার করা গেলে তরুণ প্রজন্ম ভ্যাট প্রদানে আরও আগ্রহী হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ বরিশালের সহকারী কমিশনার ও বিভাগীয় কর্মকর্তা সুদীপ্ত বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবায়দুল হক চান এবং পটুয়াখালী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার শরীফ ফারুক আহমেদ খান।
অনুষ্ঠানে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
