বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ওরা আমার ছেলেকে দা দিয়ে কোপাতে শুরু করে: হত্যার পর মায়ের আহাজারি

ওরা আমার ছেলেকে দা দিয়ে কোপাতে শুরু করে: হত্যার পর মায়ের আহাজারি

ওরা আমার ছেলেকে দা দিয়ে কোপাতে শুরু করে: হত্যার পর মায়ের আহাজারি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় দুই ভাইয়ের পারিবারিক ঝগড়া থামাতে গিয়ে জান্নাত হোসেন (২৭) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের স্বজনদের দাবি, বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে গজারিয়া ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জান্নাত হোসেন গজারিয়া ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে জান্নাত হোসেনের প্রতিবেশী দুই ভাই তারেক ও রিয়াদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হলে তারেকের মা তাসলিমা বেগম ঝগড়া থামানোর জন্য জান্নাত হোসেনকে ডেকে নিয়ে যান। ওই সময় দুই ভাইয়ের হাতেই ধারালো রামদা ছিল। এক পর্যায়ে তারা জান্নাতকে কুপিয়ে আহত করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তবে নিহতের মা জাহানারা বেগম অভিযোগ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছেলে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। তাসলিমা এসে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। আমি পেছন পেছন যাই। ঘরে ঢোকার আগেই ওরা দা দিয়ে আমার ছেলেকে কোপাতে শুরু করে। আমার ছেলে শুধু আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। এই শোক আমি কিভাবে সহ্য করবো?’

 

নিহতের বড় ভাই রাজু অভিযোগ করে বলেন, ‘বাড়ির সীমানা নিয়ে আগে থেকেই ওদের সঙ্গে আমাদের বিরোধ ছিল। জোরপূর্বক আমাদের জায়গা দখল করে ঘর তুলেছে। আমার ভাইকে যখন কোপানো হচ্ছিল, তখন তারা কাউকেই ঘরে ঢুকতে দেয়নি।’

হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মারিয়া মোস্তারি বলেন, ‘সকাল ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।