মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খালেদা জিয়াকে নিয়ে জাইমা রহমানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

খালেদা জিয়াকে নিয়ে জাইমা রহমানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

খালেদা জিয়াকে নিয়ে জাইমা রহমানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রথমবারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এই দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাদুর সঙ্গে কাটানো শৈশবের স্মৃতি, প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা এবং দেশে ফিরে পরিবার ও দেশের জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

জাইমা রহমান তাঁর শৈশবের একটি স্মৃতি তুলে ধরে লিখেন, ‘দাদুকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো—পরিবারকে আগলে রাখা একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা মমতাময়ী ছিলেন! আমার বয়স তখন এগারো। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন... আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী কী করেছি বলছিলাম, আর স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম দাদু প্রচণ্ড মনোযোগ দিয়ে আমাকে শুনছেন।’ তিনি আরও বলেন, লাখো মানুষের কাছে তিনি প্রধানমন্ত্রী হলেও নাতনিদের কাছে তিনি ছিলেন কেবলই প্রিয় ‘দাদু’।

প্রবাস জীবন ও শিক্ষা নিয়ে জাইমা লিখেন, ‘বাংলাদেশের বাইরে কাটানো সতেরোটা বছর আমার জীবন বদলে দিলেও আমি শিকড় ভুলে যাইনি। লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে, আর আইন পেশা শিখিয়েছে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিনি তাঁর দাদাকে (শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) দেখেননি, তবে তাঁর সততা ও দেশপ্রেমের গল্প শুনে বড় হয়েছেন। দাদু ও আব্বু (তারেক রহমান) সেই আদর্শই বয়ে নিয়ে চলছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে জাইমা রহমান জানান, ২৪-এর আন্দোলনের সময় তিনি নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন। দীর্ঘ সময় পর দেশে ফেরা প্রসঙ্গে জাইমা লিখেন, ‘দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ আমি দাদুর পাশে থাকতে চাই, আব্বুকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। নিজের চোখে প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চাই এবং মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই।’

সবশেষে দেশবাসীর প্রত্যাশা ও কৌতূহল নিয়ে জাইমা রহমান বলেন, ‘আমি জানি আমার পরিবারকে ঘিরে জনগণের কৌতূহল ও প্রত্যাশা রয়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়ভারও আমাদের ওপর আছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের নিজস্ব গল্পগুলোকে ধারণ করে আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি।’ তার এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।