সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এমনও হয়েছে বাসায় ফিরে আব্বু-আম্মু আগে জেবুর খবর নিয়েছেন, তারপর আমার: তারেককন্যা জাইমা

এমনও হয়েছে বাসায় ফিরে আব্বু-আম্মু আগে জেবুর খবর নিয়েছেন, তারপর আমার: তারেককন্যা জাইমা

এমনও হয়েছে বাসায় ফিরে আব্বু-আম্মু আগে জেবুর খবর নিয়েছেন, তারপর আমার: তারেককন্যা জাইমা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তার পরিবারের পোষা বিড়াল ‘জেবু’ শেষ কিছু দিন ধরে আছে আলোচনায়। এই সেই বিখ্যাত লোমশ বিড়াল, যার ছবি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল।

 

জেবুর এই জনপ্রিয়তা নজরে এসেছে তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানেরও। এর প্রতিক্রিয়ায় তিনি একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসও দিয়েছেন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর)।

পোস্টটি বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ারও করা হয়েছে।

জাইমা রহমান তারেক রহমানের মেয়ে। তিনি তার ফেসবুকে খানিকটা আফসোসই করেছেন, দেশজোড়া পরিচিতি পেয়েও যে জেবু বুঝেই না বিষয়টা।

 

তিনি তার লেখার শিরোনামে লেখেন, ‘জেবুকে ঘিরে এত কৌতূহল দেখে আমি কিছুটা অবাক, আবার মজাও পাচ্ছি। ভাবছি, ও যদি বিষয়টা বুঝতে পারতো!’

এরপর জাইমা লেখেন, যে কোনো প্রাণীকে লালন-পালন করা মানেই একটা বড় দায়িত্ব নেওয়া। কারণ, প্রাণীও একটা জীব, আল্লাহর সৃষ্টি। জেবুকে যখন প্রথম ছোট্ট বিড়ালছানা হিসেবে বাসায় এনেছিলাম, তখন ভাবিনি, সে আমাদের পরিবারের এত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে যাবে। এমনও হয়েছে, আমার আব্বু-আম্মু বাসায় ফিরে আগে জেবুর খবর নিয়েছেন, তারপর আমার! আম্মু যখন বাগান করতেন বা পাড়ায় হাঁটতে যেতেন, জেবু তার চারপাশে লাফিয়ে লাফিয়ে ঘুরতো।

 

 

‘সন্ধ্যায় আব্বুর অনলাইন মিটিংগুলো শেষ হওয়া পর্যন্ত তার কোলে গুটিসুটি মেরে বসে থাকতো, মাথায় হাত বুলানোর আদর উপভোগ করতো। আর আমার ক্ষেত্রে, জেবু যেন সব সময় আমার মনের অবস্থা বুঝে ফেলত; তার ছোট্ট পা আর কোমল ছোঁয়া দিয়ে যেভাবে পারে সেভাবেই সঙ্গ দিতো।’

‘যারা প্রাণী পোষেন, তারা জানেন, পোষা প্রাণী নিয়ে বাসা বদলানো কতোটা কঠিন। জেবু এখন মহাদেশ পেরিয়ে একেবারে নতুন একটা দুনিয়ায় এসেছে। ওর ছোট্ট প্রাণটার জন্য এই পরিবর্তনটা অনেক বড় আর কষ্টের, যেটা আমরা পুরোপুরি বুঝতেও পারি না।’

 

‘জেবুর মাধ্যমে আমাদের অনেকেই ধৈর্য শিখেছে, বড়-ছোট সব প্রাণীর প্রতি মমতা শিখেছে, আর ভাষা এক না হলেও একে অন্যকে ভালোবাসা আর যত্ন নেওয়ার সৌন্দর্য বুঝেছে। কারণ ভালোবাসা তো প্রজাতির সীমা মানে না।’

‘আমরা ছোটবেলা থেকেই পশু-পাখির সঙ্গে বড় হয়েছি। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, যে মানুষ অন্য কোনো জীবের দায়িত্ব নেওয়ার সৌভাগ্য পায়, সে নিজের সম্পর্কে অনেক বেশি কিছু শিখে ফেলে, যা সে হয়তো কল্পনাও করেনি।’

 

 

সবশেষ জাইমা রহমান জেবু সম্পর্কে একটা মজার তথ্য তুলে ধরেন। বলেন, ও (জেবু) কখনো ‘মিউ মিউ’ করে না! একদমই না। আলমারিতে আটকে গেলেও না। বরং খুশি বা অবাক হলে পাখির মতো নরম করে ডাক দেয়। অনুমতি ছাড়া কোলে নিলে হালকা বিরক্তিতে গোঁ গোঁ করে। আর যেসব বিড়াল ওর পছন্দ না, তাদের দিকে কিন্তু বেশ জোরেই চিৎকার করে!