ঘড়ির কাঁটা যখন বারোটায় এসে থামে, তখনই আকাশ হয়ে ওঠে ক্যানভাস—আলো, রং আর প্রযুক্তির তুলিতে আঁকা এক নতুন স্বপ্ন। ২০২৬-কে স্বাগত জানাতে মালয়েশিয়া বেছে নিয়েছে ভিন্ন ভাষা; আতশবাজির সঙ্গে ড্রোনের নৃত্য, সংস্কৃতির সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন।
রাজধানীর হৃদস্পন্দন বুকিত বিন্তাং—সেই রাতে রূপ নেয় উৎসবের জনসমুদ্রে। গণনার শেষ সেকেন্ডে আকাশে বিস্ফোরিত আলো, মানুষের চোখে প্রত্যাশা—নতুন বছর যেন হাতছানি দেয়।
এই বর্ণিল অধ্যায়ের প্রেক্ষাপটে শুরু হলো ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬। ড্রোন শোতে ভেসে উঠল সান বিয়ার ‘উইরা’ ও ‘মানজা’—প্রকৃতি আর অতিথিপরায়ণতার প্রতীক। বিশাল অক্ষরে ভাসল নববর্ষের শুভেচ্ছা, আর সঙ্গে একটাই আহ্বান—বিশ্ব, এসো মালয়েশিয়ায়।
উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তাঁর কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হলো ঐক্যের সুর—বহুজাতিক সমাজ, বহুসাংস্কৃতিক পরিচয়, এক দেশের গল্প।
মালয়, চীনা, ভারতীয়, বিদায়ু ও কাদাজান—পাঁচ সংস্কৃতির পরিবেশনায় লোকজ সুরে মিশে গেল আধুনিক বিট; অতীতের শেকড় ছুঁয়ে ভবিষ্যতের পথে হাঁটার বার্তা।
রাত শেষে আলো নিভে এলে থেকেও গেল একটি অনুভূতি—২০২৬ কেবল একটি বছর নয়, এটি সম্ভাবনার প্রতিশ্রুতি। ড্রোনে আঁকা সেই আকাশের মতোই বিস্তৃত মালয়েশিয়ার স্বপ্ন—শান্তি, সম্প্রীতি আর উন্মুক্ত হৃদয়ের আমন্ত্রণ।
কুয়ালালামপুর | আন্তর্জাতিক
