শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

বাংলাদেশ–মালদ্বীপ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন।

বাংলাদেশ–মালদ্বীপ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন।

বাংলাদেশ–মালদ্বীপ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন।

মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধি। 
বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার বাণিজ্য, ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে মালদ্বীপ ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (MNCCI)-এর সভাপতি জনাব মোহাম্মদ মামদুহ এবং চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম।  সোমবার বিকালে মালদ্বীপের রাজধানী মালে  সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক ও জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ জোরদার এবং মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে MNCCI-এর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা, বিশেষত ব্যবসা, শিল্প, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে অর্জিত সাফল্য সম্পর্কে মালদ্বীপে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। MNCCI-এর পক্ষ থেকে সংকটকালীন সময়ে মালদ্বীপে পানীয় জলের সরবরাহে বাংলাদেশের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়, যা দুই দেশের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহমর্মিতার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে মালদ্বীপে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ক্ষুদ্রঋণ (মাইক্রোক্রেডিট) ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি মডেল ব্যবহারের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
জবাবে মান্যবর হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও জনগণের মধ্যে বিদ্যমান গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কূটনীতির গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন এবং মালদ্বীপের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।হাইকমিশনার উল্লেখ করেন যে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ট্রান্সশিপমেন্ট কার্যক্রম ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্য, লজিস্টিকস ও সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করছে। তিনি বাংলাদেশের বিস্তৃত শিল্পভিত্তি, প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন খাত, দক্ষ মানবসম্পদ এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে মালদ্বীপের সঙ্গে বহুমুখী বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সহযোগিতার সুযোগের কথা উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে তিনি মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিশ্রমী ও পেশাদার ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতার কথা তুলে ধরেন।বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সংযোগ জোরদারে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। ট্রান্সশিপমেন্ট সম্ভাবনা কাজে লাগানো, বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশ–মালদ্বীপ অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।