শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষক কার্ড দেবে সরকার

ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষক কার্ড দেবে সরকার

ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষক কার্ড দেবে সরকার

 

টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে দেশের কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করবে সরকার। তবে আপাতত এটি ব্যাপক পরিসরে শুরু না হয়ে অঞ্চল ভেদে ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে চালু করা হবে, পরে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এ তথ্য জানান। দেশের সব কৃষককেই এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

তথ্যমন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ড নিয়ে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে। আমাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল কৃষক কার্ড দেওয়ার। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ প্রথম বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী। যত দ্রুত সম্ভব আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মতোই কৃষক কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট শুরু করতে যাচ্ছি।

কবে নাগাদ এই বিতরণ শুরু হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সময়টা এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না, কারণ প্রস্তুতির অনেক বিষয় রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব এটি বাস্তবায়ন করা। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় এই লক্ষ্যে কাজ করছে।

এই কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে জানান মন্ত্রী।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোনো লিকেজ বা মধ্যস্বত্বভোগী যেন সুযোগ না পায়, সেজন্যই আমরা স্মার্ট কৃষক কার্ডের দিকে যাচ্ছি। একজন সিম ক্রেতা যেমন সরাসরি ব্যাংকিং বা অন্যান্য সেবা পান, তেমনি এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের সঙ্গে রাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে। ফলে কৃষক সরাসরি সুবিধা পাবেন এবং রাষ্ট্রও তাদের সমস্যাগুলো সরাসরি জানতে পারবে।