মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পরীক্ষাকেন্দ্রের টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী: শিক্ষামন্ত্রী

পরীক্ষাকেন্দ্রের টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী: শিক্ষামন্ত্রী

পরীক্ষাকেন্দ্রের টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী: শিক্ষামন্ত্রী

পরীক্ষাকেন্দ্রের টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় মোটিভেশনাল মিটিং আয়োজন করা হবে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগীভাবে পরিচালনার লক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা আয়োজিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।  

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ এর সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা প্রদান করেন। পরীক্ষায় যে কোনো ধরনের অনিয়ম ও নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।

মন্ত্রী নির্দেশনা দেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে বডি সার্চ নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদার করতে হবে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্নসংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের জন্য পরীক্ষার সিস্টেম পরিবর্তন করতে হবে। অটোপাশের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নাম্বার দেওয়ার প্রচলিত প্রথা থেকে বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

যেসব জেলায় জিলা স্কুল নেই সেখানে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। জিলা স্কুলগুলোতে প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে হবে; যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করবে।