মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘কয়েকজন’ মার্কিন সেনা আটকের দাবি ইরানের

‘কয়েকজন’ মার্কিন সেনা আটকের দাবি ইরানের

‘কয়েকজন’ মার্কিন সেনা আটকের দাবি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন সেনাকে আটক করার দাবি করেছে ইরান, তবে ওয়াশিংটন এই দাবিকে সরাসরি ‘মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। 

শনিবার (৭ মার্চ) ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে দাবি করেন যে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাকে বন্দি করা হয়েছে। লারিজানি অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটন এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। 

তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রশাসন দাবি করছে ওই সেনারা সরাসরি যুদ্ধে নিহত হয়েছেন, কিন্তু আসলে তারা বন্দি অবস্থায় আছেন। সত্য খুব বেশিদিন গোপন রাখা যাবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

ইরানের এই চাঞ্চল্যকর দাবির পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর একজন মুখপাত্র আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, কোনো মার্কিন সেনা আটক হওয়ার তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি ইরানের এই দাবিকে দেশটির শাসকগোষ্ঠীর ‘মিথ্যাচার ও প্রতারণার’ আরও একটি উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, তেহরান পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেড় শতাধিক স্কুলছাত্রীসহ এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। 

এই ঘটনার পর থেকেই ইরান ও তার মিত্ররা ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি পুরো অঞ্চলকে এক ভয়াবহ অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।