বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলে উদ্ধার
আবু জাফর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সুন্দরবন সংলগ্ন শিবসা নদীর কালীর খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। খুলনার কয়রা উপজেলা এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) ভোরে এ অভিযান পরিচালিত হয়। বিকালে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত ৭ মার্চ সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে ৬ জেলে ‘নানা ভাই’ বাহিনীর সদস্যদের হাতে অপহৃত হন। পরে তাদের গহীন বনে নিয়ে জিম্মি করে মুক্তিপণের দাবিতে নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। এ ঘটনায় মো. কবির নামে এক ব্যক্তি তার ভাইকে উদ্ধারের জন্য কোস্টগার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করেন।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে কোস্টগার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান কালীর খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা জিম্মিদের রেখে বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও ৬ জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃতরা হলেন—খুলনার কয়রা থানার রফিকুল (৩০), আলামিন (২৬) ও ইসমাঈল শানা (২৪) এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার রমজান আলী (৩৬), রেজওয়ান (২২) ও মিয়া রাজ (১৮)। তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
কোস্টগার্ড জানায়, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখা এবং জেলে-বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।