জামাতের কর্মীর বিরুদ্ধে তরমুজ লুটের অভিযোগ।
মোঃ রুবেল হোসেন বাউফল প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়নে জামাতের কর্মীর বিরুদ্ধে চাষিদের তরমুজ লুটের অভিযোগ উঠেছে। এতে তরমুজচাষিরা বিপাকে পড়েছেন। এ ছাড়া এক চাষির ক্ষেত থেকে প্রায় ১৫০০ তরমুজ লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।
শুক্রবার (২৭ শে মার্চ) এ ঘটনায় বাউফল থানায় অভিযোগ করেছেন কামাল হোসেন নামের এক তরমুজ চাষি। কেশবপুর ইউনিয়নে এক চাষির তরমুজ ক্ষেত থেকে প্রায় ১৫০০ তরমুজ লুটের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, কেশবপুর ইউনিয়ন জাকির বিশ্বাস নামের ওই যুবক ও তার সহযোগীরা তরমুজ ও একটি স্মার্ট ফোন লুট করেন করেন।
অভিযোগে কামাল হোসেন উল্লেখ করেন, এ বছর তিনি কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর চরে প্রায় ৮০ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। ঈদের পরের বাজার ধরতে তরমুজ কাটার আগ মুহূর্তে শুক্রবার (২৭ শে মার্চ) তিনি ক্ষেত থেকে তরমুজ কাটার প্রস্তুতি নেন। এ সময় স্থানীয় স্থানীয় জামাত নেতা মো. জাকির বিশ্বাস এর নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল এসে তরমুজ চাষীদের কে মেরে ক্ষেত থেকে প্রায় ১৫০০ তরমুজ ছিড়ে নিয়ে যায়।
চাষিদের অভিযোগ, ওই দলটি চাষীদের কে মেরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় এবং হুমকি দেয় যে, তাদের কেউ কিছু করতে পারবেনা তারা এমপির পক্ষে কাজ করেছেন এবং তারা জামাতের নেতা বলে দাবি করেন । জাকির বিশ্বাস এর বাবা বলেন আমার জমিতে তরমুজ চাষ করেছে আমি তরমুজ নিয়েছি মাসুদ সাহেব এমপি হওয়ার পর আমি এই চড়ে এসেছি ,আমার জমির তরমুজ আমি নিয়েছি আমি আবার কাকে জিজ্ঞাসা করবো।
তবে জামাতের নেতা মো. জাকির বিশ্বাস অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, আমি ২০০ পিছ তরমুজ নিয়েছি, চাচির কাছে একাধিকবার সমাধান চেয়েও তিনি সমাধান করেননি তাই আমি এই পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), আমরা অভিযোগ পেয়েছি আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।