মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্ট সংলগ্ন এশিয়া পেট্রোল পাম্পে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে অক্টেন বিতরন।
মোঃ গিয়াস উদ্দিন,। উখিয়া।
আজ সকাল ১১ টা থেকে এশিয়া পেট্রোল পাম্পের সামনে মোটরসাইকেল আরোহীদের দীর্ঘ লাইন। রোদে অপেক্ষারত মানুষের মুখ এবং জটলা। উখিয়া ও টেকনাফের সংযোগস্থল মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্ট সংলগ্ন এশিয়া পেট্রোল পাম্পে সকাল থেকেই মোটরসাইকেল আরোহীদের ভিড়। তীব্র গরমে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত চালকরা। তবে দীর্ঘ অপেক্ষার পর মিলেছে কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি অক্টেন। তবে এই সরবরাহ সাধারণ সময়ের মতো নয়, বরং সংকটময় মুহূর্তে এক বিশেষ উদ্যোগ।
কয়েকজন চালক তাদের কষ্টের কথা বলছেন। সকাল থেকে দাঁড়িয়ে আছি। পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছিল বিদ্যুৎ না থাকায় খরচ কমানোর জন্য বিদ্যুৎ না আসা পর্যন্ত অকটেন সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আমরা অনেক অনুরোধ করেছি কিন্তু প্রথমে তারা দিতে পারছিল না।"
মোটরসাইকেল আরোহী ২: বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক ঝামেলা হচ্ছিল। কিছুক্ষণ আমাদের লাঞ্চের কথাও বলছিল, কিন্তু আমাদের তো তাড়াতাড়ি যেতে হবে।"
মালিকপক্ষের পাম্পের শাটল বা গেট বন্ধ থাকা জ্বালানি সংকটের এই সময়ে পাম্প কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ ছাড়া তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সৃষ্টি হয় সাময়িক অস্থিরতা। এমনকি কিছু সময়ের জন্য কার্যক্রম বন্ধ রেখে লাঞ্চ ও নামাজের বিরতি দেওয়া হয়। তবে নামাজ শেষ হতেই দৃশ্যপট বদলে যায়। মানবিক দিক বিবেচনায় মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় অপেক্ষারত সবাইকে সীমিত পরিসরে জ্বালানি দেওয়ার।
মালিকপক্ষের প্রতিনিধি
আমরা দীর্ঘদিন দরে অকটেন পাচ্ছিনা চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়া আমরা সবাইকে আগের মতো অকটেন দিতে পারতেছি না,তবে দীর্ঘ অপেক্ষার দেখে মানবিক বিবেচনায় করে যারা এখানে উপস্থিত আছেন যারা আমাদের চোখের সামনে অনেক মানুষ কষ্ট পাচ্ছিলেন। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম নামাজ শেষে উপস্থিত প্রত্যেককে অন্তত ২০০ টাকা করে অক্টেন দেব যেন তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন।"
তেল পেয়ে চালকদের বিদায় নেওয়ার দৃশ্য এবং পাম্পের শান্ত পরিবেশ।
শেষ পর্যন্ত মালিকপক্ষের এই সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মোটরসাইকেল আরোহীরা। সংকটের মুহূর্তে নিয়ম আর মানবিকতার মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে ২০০ টাকা করে অক্টেন পেয়ে হাসি মুখে বাড়ি ফিরেছেন তারা।