ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইকবাল হোসেন রিংকু||মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আথানগীরী গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানার বিরাট (হাসামপুর) গ্রামের,হেলিম মিয়া ছেলে,ছিকন আলী (৩৫), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর পাঁচাউন গ্রামের শাহ ইকবাল হোসেন ছেলে রূপন মিয়া (৩৭), মৌলভীবাজার সদর থানার শ্রীরাইনগর গ্রামের মবিল খান (৪৮), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার নসিয়ারপুর (নসিবপুর) গ্রামের শাহেদ মিয়া (২৬) এবং মৌলভীবাজার সদর থানার পতন (শাহবন্দর) গ্রামের মোঃ অভি (২৪)।
অভিযানকালে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে ১টি কাটার মেশিন, ১টি ধারালো দা, ১টি চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি বাঁশের লাঠি এবং প্রায় ২৫ ফুট দীর্ঘ একটি রশি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখানগীরী গ্রামের কালেকা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও থানা রেকর্ড পর্যালোচনায় আটক কৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারকৃত শাহ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চুরি, নারী নির্যাতনসহ ১১ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি মবিল খান ও শাহেদ মিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক চুরির মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এসআই জাকির হোসেন রুবেল বা*দী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান