রবিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশ্বের দীর্ঘতম ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের রেকর্ড গড়ল ইরান

বিশ্বের দীর্ঘতম ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের রেকর্ড গড়ল ইরান

বিশ্বের দীর্ঘতম ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের রেকর্ড গড়ল ইরান

ইরানে চলমান ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতা বা ব্ল্যাকআউট এখন পর্যন্ত বিশ্বের যেকোনো দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম জাতীয় পর্যায়ের ইন্টারনেট শাটডাউনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

নেটব্লকস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানিয়েছে, ইরানের এই ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট টানা ৩৭তম দিনে পদার্পণ করেছে। মোট ৮৬৪ ঘণ্টা অতিক্রম করার মধ্য দিয়ে এটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্যান্য সব সমজাতীয় ঘটনাকে তীব্রতার দিক থেকে ছাড়িয়ে গেছে। 

অন্য অনেক দেশের তুলনায় ইরানের পরিস্থিতিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে সংস্থাটি জানিয়েছে, ইরানই প্রথম দেশ যারা প্রথমে সংযুক্ত ছিল এবং পরবর্তীতে একটি জাতীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এর বিপরীতে উত্তর কোরিয়ার মতো দেশগুলো কখনো বৈশ্বিক সংযোগের মূল ধারায় যুক্ত ছিল না এবং দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকেই দেশটির সরকার সাধারণ নাগরিকদের জন্য ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। বর্তমানের এই নজিরবিহীন ব্ল্যাকআউটের আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময়ও ইরান কয়েক সপ্তাহব্যাপী একই ধরনের ইন্টারনেট শাটডাউন কার্যকর করেছিল। 

বর্তমান পরিস্থিতির ফলে দেশটির সাধারণ মানুষ এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মহল তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।