যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে অস্থির হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার। ফলে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের দামও বাড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে আশঙ্কা করা হচ্ছে, রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হলে ইরান উৎপাদন কমাতে বাধ্য হতে পারে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ হলেও ইরান আপাতত স্বাভাবিকভাবে প্রায় দুই মাস পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রধানত চীনে রপ্তানি করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে এই সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
এতে ইরানের উৎপাদন বন্ধ হলে বৈশ্বিক বাজার প্রতিদিন ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল সরবরাহ হারাবে, যা বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে এবং দাম আরও বাড়তে পারে।
তেল রপ্তানি বন্ধ হলে উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল ইরানকে সংরক্ষণাগারে রাখতে হবে। কিন্তু এই স্টোরেজ পূর্ণ হয়ে গেলে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হবে দেশটি।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এনার্জি অ্যাসপেক্ট–এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের স্থলভিত্তিক সংরক্ষণাগারে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেল সংরক্ষণের ক্ষমতা রয়েছে। এই হিসাব অনুযায়ী, বর্তমান রপ্তানি হার বজায় থাকলে ইরান প্রায় ১৬ দিন উৎপাদন ধরে রাখতে পারবে।
