দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড ২০২৬ কর্মসূচির শুমারির জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক সুপারিশে তালিকাভুক্তির অভিযোগ উঠেছে। এতে নিয়োগপ্রত্যাশী অনেক প্রার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার ( ৬ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তার ফেসবুক পেজে এই রেজাল্ট এর তালিকা প্রকাশ করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সুপারিশের ভিত্তিতে তাঁদের আত্মীয়-স্বজনদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রীও সুপারিশের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক প্রার্থী।
ভুক্তভোগী প্রার্থীদের দাবি, লিখিত পরীক্ষায় ভালো করেও অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ও যোগ্য প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী বলেন, যোগ্যতা ও মেধার পরিবর্তে যদি সুপারিশই প্রধান বিবেচ্য হয়, তাহলে পরীক্ষা নেওয়ার উদ্দেশ্য কী? তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ ঘটনায় নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশী ও স্থানীয় সচেতন মহল।
এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: মাসুদ রানার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানায় এই নিয়োগ পরীক্ষায় কোন স্বজন প্রীতি হয় নাই। আর যাদের নিয়ে অভিযোগ আমি তাদের চিনি না। আমরা মেধা তালিকায় নিয়োগ দিয়েছি।
ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
