করিমগঞ্জ উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা রানা মজুমদার জনৈক আব্দুল মালেকের মাধ্যমে বীজ ব্যবসায়ী মনা বাবুর দোকানে বিনামূল্যে বিতরণের উন্নত জাতের পাট বীজ বিক্রয় করেন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল তিনটার দিকে রিকশায় করে করিমগঞ্জ বাজারস্থ মনা বাবুর দোকানে পৌঁছে দেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ও গণমাধ্যম কর্মীদের কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন।
বীজ ও কীটনাশক বিপণকারী মোঃ ফেরদৌস বীজ বিক্রয়ে মধ্যস্থতা করেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা রানা মজুমদারের মোবাইলে বেশ কয়েকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে মুসলিমার নির্দেশে উক্ত পাট বীজ সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবির এর সহযোগিতায় উদ্ধার করে উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার অফিসে ফেরত আনা হয়েছে।
উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার মাধ্যমে বিনামূল্যে বিতরণের সরকারি বীজ খোলা বাজারে বিক্রয়ের ঘটনায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। জানা যায়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বরাবরই তিনি পার পেয়ে গেছেন। কোন জবাবদিহিতা না থাকায় দিন দিন তার ঔদ্ধত্য বেড়েছে। নিয়মিত অফিস না করেও বেতন ভাতা বা সুযোগ সুবিধার কোন অসুবিধা না হওয়ায় বাসায় থেকে বা ঘুরেফিরে নামকাওয়াস্তে দায়িত্ব পালন করেন। তবে এবার পাট বীজ বিক্রির দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে মুসলিমা।
মোঃ-মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু)কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।