শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বনভূমির গেজেট জটিলতা নিরসনের দাবিতে শ্রীপুরে জরুরি সংবাদ সম্মেলন

বনভূমির গেজেট জটিলতা নিরসনের দাবিতে শ্রীপুরে জরুরি সংবাদ সম্মেলন

বনভূমির গেজেট জটিলতা নিরসনের দাবিতে শ্রীপুরে জরুরি সংবাদ সম্মেলন

 

গাজীপুরের শ্রীপুরে বনভূমির গেজেট সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনের দাবিতে ভুক্তভোগী জনগণ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কেওয়া বাজার গরুর হাটে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশন, শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদ এবং শ্রীপুর পৌর সচেতন নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমির সঙ্গে একই দাগে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি অন্তর্ভুক্ত থাকায় ১৯২৭ সালের বন আইনের ২০ ধারার অজুহাতে এসব জমিতে নামজারি, হস্তান্তর ও খাজনা আদায় কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
তারা জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বৈধ রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি মালিকরা তাদের জমির খাজনা দিতে পারছেন না। অন্যদিকে বন বিভাগ তাদের নিজস্ব অংশে নিয়মিত খাজনা প্রদান করছে, যা বৈষম্যমূলক আচরণ বলে দাবি করেন বক্তারা।
 

এছাড়া বন বিভাগের পক্ষ থেকে দেওয়ানি আদালতে মামলা করে হয়রানির অভিযোগও তোলা হয়। বক্তারা বলেন, বন আইনের ২০ ধারার আওতায় চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হলেও বাস্তবে এর সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। এতে জমির সীমানা নির্ধারণ, বাড়িঘর নির্মাণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
 

সংবাদ সম্মেলন থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়— ১. ২০০৬ সালের সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাতিল বা শিথিল করা
২. ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে সংবিধান অনুযায়ী ভোগদখল, নামজারি ও রাজস্ব কার্যক্রম চালু করা
৩. চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনের বাইরে থাকা জমিতে নামজারি ও খাজনা গ্রহণ কার্যক্রম পুনরায় চালু করা
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে মানববন্ধনসহ বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন খোরশেদ আলম, মো. সেলিম মোল্লা, রানা মাসুদ ও মিশকাত রাসেলসহ ভুক্তভোগী প্রতিনিধিরা। তারা গণমাধ্যমের মাধ্যমে তাদের ন্যায্য দাবি সরকার ও দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান।