বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কবে শেষ হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ?

কবে শেষ হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ?

কবে শেষ হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ?

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাময়িকভাবে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। গত ৭ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। ঘোষণা অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল (মঙ্গলবার) পর্যন্ত এর মেয়াদ থাকার কথা ছিল। তবে পরে সময়সীমা পরিবর্তন করে এটি আরও কিছু সময় বাড়ানো হয়। 

সোমবার ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, যুদ্ধবিরতিটি স্থানীয় সময় বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত কার্যকর হিসেবে বিবেচনা করছেন তিনি। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা চুক্তি না হয়, তাহলে যুদ্ধবিরতি আর বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম।

অন্যদিকে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা পাকিস্তানি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার রাত ৮টায় (ইস্টার্ন টাইম) আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী পরদিন মধ্যরাত এবং ইরানের স্থানীয় সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ভোরে শেষ হবে। 

এদিকে ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠকের সম্ভাবনা থাকলেও ইরান সেখানে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে দুই পক্ষের সামরিক উত্তেজনা এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।