বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক, অনিয়মের অভিযোগে লিখিত আবেদন

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক, অনিয়মের অভিযোগে লিখিত আবেদন

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক, অনিয়মের অভিযোগে লিখিত আবেদন

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের হাট-বাজার ইজারা সংক্রান্ত একটি দরপত্রকে কেন্দ্র করে স্বচ্ছতা ও নিয়ম অনুসরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে সোনালী ব্যাংকের পে-অর্ডার বাধ্যতামূলক উল্লেখ থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, অন্য ব্যাংকের পে-অর্ডার গ্রহণ করে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন ঠিকাদার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
 

প্রাপ্ত অভিযোগপত্র ও দরপত্র বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ ২০২৬-২০২৭ সনের হাট-বাজার ইজারার জন্য একটি টেন্ডার আহ্বান করে। বিজ্ঞপ্তির শর্তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে, অংশগ্রহণকারীকে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে পে-অর্ডার সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, নির্ধারিত এই শর্ত উপেক্ষা করে অন্য ব্যাংকের পে-অর্ডার গ্রহণ করা হয়েছে।
 

অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি বিধিমালা ও টেন্ডারের শর্ত লঙ্ঘন করে একটি বিশেষ পক্ষকে সুবিধা দিতেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে নিয়ম মেনে অংশ নেওয়া অন্যান্য ঠিকাদার আর্থিক ও প্রশাসনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, “যখন বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে সোনালী ব্যাংকের পে-অর্ডারের কথা বলা হয়েছে, তখন অন্য ব্যাংকের পে-অর্ডার কীভাবে গ্রহণ করা হলো—তা স্পষ্ট নয়। এতে পুরো দরপত্র প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।”
 

অভিযোগকারীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং টেন্ডার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সচেতন মহলের দাবি, পার্বত্য অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হবে।
এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

বান্দরবান প্রতিনিধি: মোঃ হামিদুর রহমান