নোয়াখালী সদর উপজেলার ২০ নম্বর আন্ডারচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাইদিয়া সমাজ সংলগ্ন এলাকায় আবুল বাসারের বাড়িতে সংঘটিত হয়েছে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা। এতে গৃহকর্তা আবুল বাসার (৪০) ও তার স্ত্রী রুমা আক্তার (৩০) গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত ঘরের দুপাশের মাটি খুঁড়ে ও সিঁধ কেটে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। ঘরে ঢুকেই তারা আবুল বাসার ও তার স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে আবুল বাসারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয় এবং তার মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়। বাধা দিতে গেলে তার স্ত্রী রুমা আক্তারও হামলার শিকার হন।
অভিযোগ রয়েছে, ডাকাতরা ঘরের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে এবং চাল-ডালসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তছনছ করে ফেলে। পরে তারা স্বর্ণালঙ্কার, নাক ও কানের গহনা, নগদ টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।
ডাকাতরা পরিবারের তিন বছর বয়সী শিশু সন্তান হামিদকে একটি বস্তার ভেতরে ভরে ঝুলিয়ে রাখে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে অতিরিক্ত কান্নার আওয়াজে শিশুটিকে ছেড়ে দেয় ,
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে
সকালে প্রায় ৭টার দিকে নোয়াখালী মাইজদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
আন্ডারচর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মহিন পাটোয়ারী বলেন, ও ভুক্তভোগের পরিবেশ সূত্রে জানা যায় ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। ব্যক্তিগত শত্রুতা কিংবা পূর্বের বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, এ ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ রয়েছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী |
মোঃ আরিফ হোসেন।
নোয়াখালী প্রতিনিধি।
