১৭ই জুন (বুধবার) গুইমারা উপজেলা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মিশকাতুল তামান্না।
করলিয়া প্রকল্প, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর রাসিল ত্রিপুরার সঞ্চালনায় সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা নবলেশ্বর দেওয়ান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গুইমারা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাবলু হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং উপজেলা বন কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাগণ করলিয়া প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নে এই প্রকল্পের কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসনীয় ও কার্যকরী অবদান রাখছে।
সভায় জানানো হয়, গুইমারা উপজেলার ২টি সাইটের অধীনে মোট ৬টি পাড়ায় সোলারের (সৌরবিদ্যুৎ) মাধ্যমে পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার ফলে ওইসব এলাকার দীর্ঘদিনের পানি সংকট অনেকাংশে দূর হয়েছে। এর পাশাপাশি, জলবায়ু সহিষ্ণুতা গড়ার লক্ষ্যে নারীদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জনপ্রতি ৪,৫০০ টাকা করে ব্যক্তিগত অনুদান দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় নারীদের আয় ও স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, আগামীতে করলিয়া প্রকল্পের আরও ৪টি সাইটে এ ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া, পরবর্তীতে যেসব এলাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো গ্যাপ বা ঘাটতি থাকবে, সেগুলোতে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন ও সরকারের বিভিন্ন লাইন ডিপার্টমেন্টের (সংশ্লিষ্ট বিভাগ) মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন তারা।
সবশেষে করলিয়া প্রকল্পের কার্যক্রমের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন সভাপতি ও ইউএনও মিশকাতুল তামান্না।
অজয় সেন ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি:
