যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রত্যাশিত আলোচনাকে ঘিরে এখনো সতর্কতা ও অনিশ্চয়তার সুর শোনা যাচ্ছে। সুইজারল্যান্ডের লুসার্ন হ্রদের তীরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।
তবে বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, এই আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সুইজারল্যান্ডে তার নির্ধারিত সফর স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি এখনো সপ্তাহান্তে সুইজারল্যান্ড সফরের প্রত্যাশা করছেন।
মধ্যস্থতাকারী দলের কয়েকটি , আলোচনা পুরোপুরি বাতিল হয়নি, বরং তা আপাতত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অনিশ্চয়তার মধ্যেও প্রস্তুত সুইজারল্যান্ড
একই ধরনের বার্তা এসেছে সুইস কতৃপক্ষের কাছ থেকেও। শুক্রবার দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনার পরবর্তী ধাপ আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, নির্ধারিত বৈঠক আপাতত না হলেও সুইজারল্যান্ড এই আলোচনা আয়োজনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
এর জন্য দেশটির লুসার্ন হ্রদের তীরে অবস্থিত বিলাসবহুল রিসোর্ট বুর্গেনস্টকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
এ মুহূর্তে এর বেশি কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব নয় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে আলোচনাটি কবে অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে এখনো নতুন সময়সূচি জানানো হয়নি। ফলে চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর করা সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
৬০ দিনের সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন
স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা হয়নি। এসব বিষয়ে সমাধানে উভয় পক্ষকে ৬০ দিনের একটি আলোচনার সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল।
