১৯৯৫ সালে মঞ্চে অভিনয়ের মাধ্যমে নাট্যাঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। মাত্র এক দশকের ভেতর (১৯৯৫-২০০৫) শতাধিক নাটকে অভিনয় করে প্রতিষ্ঠা পান অভিনয়ের জগতে।
মঞ্চনাটকসমূহ:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, স্পর্ধা, কৃতদাস, কৃষ্ণকান্তের উইল, মেরাজ ফকিরের মা, মেহেরজান আরেকবার, তোমরাই, পোহালে শর্বরী সহ অসংখ্য দর্শকপ্রিয় প্রযোজনা।
টেলিভিশন নাটক ও ধারাবাহিক:
দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য নির্মিত ‘কালের যাত্রা’ নাটকে চঞ্চল চৌধুরীর বিপরীতে অভিনয় করে আবারও আলোচনায় আসেন।
বর্তমানে বাংলা ভিশনে প্রচারিত নিমা রহমানের গুলশান এভিনিউ সিজন টু এবং দীপ্ত টিভিতে চলমান দীর্ঘ ধারাবাহিক দেনা-পাওনাতে নিয়মিত অভিনয় করছেন।
চলচ্চিত্র:
শামীম আহমেদ রনির স্বল্পদৈর্ঘ্য আগস্ট ৭৫, ময়ূক বারীর সাথী, এবং সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য মাইক ও রাসেলের জন্য অপেক্ষা চলচ্চিত্রে তাঁর অনবদ্য অভিনয় দর্শক-সমালোচকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
উপস্থাপনা ও বিজ্ঞাপন:
জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনচিত্র ও টিভি উপস্থাপনাতেও সমান দক্ষতার ছাপ রেখেছেন। বর্তমানে প্রাণ গুঁড়া মসলা’র শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত আছেন।
ব্যক্তিজীবন:
স্বামী রিপনের সঙ্গে দুই যুগের সুখী দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করছেন সুইটি।
বাংলাদেশের নাটক, মঞ্চ ও চলচ্চিত্রে সমানতালে আলো ছড়ানো এই প্রতিভাবান অভিনেত্রীর জন্য রইল অফুরন্ত শুভেচ্ছা। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন, অভিনয় জগৎকে আরো সমৃদ্ধ করুন—এই কামনা রইল তানভীন সুইটির জন্মদিনে।
