বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ গায়ক, অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, লেখক ও সঙ্গীতশিল্পী দিলীপ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকী

আজ গায়ক, অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, লেখক ও সঙ্গীতশিল্পী দিলীপ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকী

আজ গায়ক, অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, লেখক ও সঙ্গীতশিল্পী দিলীপ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য নাম—দিলীপ বিশ্বাস। একাধারে ছিলেন গায়ক, অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, লেখক ও সঙ্গীতশিল্পী।
তাঁর জন্ম ১৯৪৬ সালে, খুলনা জেলায়। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রজীবন থেকেই সংস্কৃতি চর্চায় যুক্ত ছিলেন, বিশেষ করে প্যারোডি গানের মাধ্যমে তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়।

 

কর্মজীবনের শুরু একজন প্যারোডি গায়ক হিসেবে। এরপর চলচ্চিত্রে গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন জহির রায়হান পরিচালিত ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে।
তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন আরও অনেক ছবিতে—যেমন: আনোয়ারা, মোমের আলো, দুই ভাই, আলোমতি, সন্তান, চেনা অচেনা ইত্যাদি।
অভিনয়ে আসেন হাবুর বিয়ে ছবিতে। পরবর্তী সময়ে ঝুঁকে পড়েন পরিচালনার দিকে।
সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন আগুন নিয়ে খেলা ছবিতে।
পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ১৯৭০-এর দশকে সমাধি ছবির মাধ্যমে—যা দারুণ সাফল্য পায়।

 

১৯৭৩ সালে তৈরি করেন কালজয়ী জিঞ্জির, যেখানে একসঙ্গে অভিনয় করেন রাজ্জাক, আলমগীর ও সোহেল রানা। ছবিটি দর্শকহৃদয়ে জায়গা করে নেয়।
এরপর একের পর এক নির্মাণ করেন সাফল্যগাঁথা সব ছবি:
দাবী, বন্ধু, আসামী, অনুরোধ, আনারকলি, অংশীদার, অপমান, অস্বীকার, অপেক্ষা, অকৃতজ্ঞ, অজান্তে ইত্যাদি।


তাঁর জীবনের শেষ চলচ্চিত্র মায়ের মর্যাদা, নির্মাণ শুরু করেন ২০০৫ সালে, মুক্তি পায় ২০০৬ সালে—সেই বছরই ১২ জুলাই তাঁর প্রয়াণ ঘটে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই গুণী মানুষটির অবদান বাংলা চলচ্চিত্রে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি এই শিল্পীর প্রতি।
তাঁর প্রতি রইলো আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।