সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দক্ষিন ভারতের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী এস জানকি মারা গেছেন।

দক্ষিন ভারতের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী এস জানকি মারা গেছেন।

দক্ষিন ভারতের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী এস জানকি মারা গেছেন।


চলে গেলেন দক্ষিণ ভারতে জানকি।  তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। গতকাল শনিবার কর্ণাটকের মহীশূরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি চলে যান। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অভিনেতা রজনীকান্ত, কমল হাসান, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়সহ ভারতের চলচ্চিত্র ও সংগীতজগতের তারকারা।

এস জানকিকে বলা হয় দক্ষিণ ভারতের ‘নাইটিঙ্গেল’। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বয়সজনিত নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন জানকি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

জানকির নাতনি অপ্সরা বৈদ্যুলা ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই তিনি শান্তিতে বিদায় নিয়েছেন। আমাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত, তবে তার অসাধারণ জীবন ও সংগীতের মাধ্যমে তিনি কোটি মানুষের জীবনে যে আনন্দ ছড়িয়ে দিয়েছেন, সে জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। বিশ্বের কাছে তিনি ছিলেন এক কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী, আর আমাদের কাছে ছিলেন স্নেহময়ী দাদি।’

১৯৫৭ সালে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন জানকি। ছয় দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি ২০টির বেশি ভারতীয় ভাষায় প্রায় ৪৮ হাজার গান রেকর্ড করেন। ক্যারিয়ারে তিনি চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং বিভিন্ন ভাষায় ৩৩টি রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

২০১৩ সালে ভারত সরকারের দেওয়া পদ্মভূষণ সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন জানকি। তার ভাষ্য ছিল, দীর্ঘ সংগীতজীবনের তুলনায় এই স্বীকৃতি অনেক দেরিতে এসেছে। তিনি মনে করতেন, তার অবদানের জন্য দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন প্রাপ্য।

সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য কর্ণাটক রাজ্যোৎসব পুরস্কার এবং মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেটও পেয়েছিলেন জানকি।