শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৫ হাজার মাইল বেগে চাঁদে আঘাত হানছে স্পেসএক্সের রকেট

৫ হাজার মাইল বেগে চাঁদে আঘাত হানছে স্পেসএক্সের রকেট

৫ হাজার মাইল বেগে চাঁদে আঘাত হানছে স্পেসএক্সের রকেট

ঘণ্টায় প্রায় ৫ হাজার ৪০০ মাইল বেগে ছুটে বুধবার চাঁদে আঘাত হানতে যাচ্ছে স্পেসএক্সের রকেটের একাংশ। সংঘর্ষটি বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ঘটার কথা। তবে চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করা কোনো মহাকাশযান দৃশ্যটি ক্যামেরায় ধরণের মতো অবস্থানে নেই। ফলে সংঘর্ষের বিষয়টি বুঝতে সময় লাগবে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্যালকন ৯ মহাকাশযানের বিচ্ছিন্ন হওয়া ওপরের অংশটি চাঁদে আঘাত হানবে। যা প্রায় পাঁচতলা ভবনের সমান, ওজন ৪ হাজার কেজি। সংঘর্ষের বিষয়টি বুঝতে বিজ্ঞানীরা চাঁদের পৃষ্ঠের আগে ও পরের ছবিগুলো মিলিয়ে দেখবেন। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংঘর্ষটি পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখার মতো নয়। এটি পৃথিবীর জন্য বিপদের কারণ হবে না। কোনো বস্তু চাঁদে আঘাত হানলে কী ঘটে, বিজ্ঞানীরা সেটি পর্যবেক্ষণ করবেন।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, সংঘর্ষটি চাঁদের উত্তর গোলার্ধে আইনস্টাইন ক্রেটারের কাছে ঘটবে। নাসার মুখপাত্র জিমি রাসেল এএফপিকে বলেছেন, তারা গবেষণার উদ্দেশ্যে আঘাতের জায়গাটি পর্যবেক্ষণ করবে। 

ফ্যালকন ৯ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল গত জানুয়ারিতে। এর সঙ্গে দুটি লুনার ল্যান্ডার (কক্ষপথ থেকে চাঁদের মাটিতে অবতরণের ব্যবস্থা) ছিল। মহাকাশযানের বুস্টারটি (যানের একাংশ) পৃথিবীতে ফিরে এলেও ল্যান্ডারগুলোকে নিয়ে ওপরের অংশটি মহাকাশেই থেকে যায়।

গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নাসার সায়েন্স অ্যান্ড ড্রাগন প্রোগ্রামের পরিচালক জুলিয়ানা স্কেইমান বলেন, সাধারণত স্পেসএক্সের দ্বিতীয় অংশটিকে নিরাপদ রাখার জন্য একটি কৌশলের আশ্রয় নেওয়া হয়। তারা সেটি করেছিলেন। কিন্তু সৌর কার্যকলাপ ও মহাকর্ষীয় শক্তির মিশ্রণ এটিকে চাঁদের পথে ঠেলে দেয়।