জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় একটি ম্যারাথন গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গণমিছিলটি শহরের বাঙালের মোড় সংলগ্ন আল কোরআন একাডেমি চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা রোড মোড়ে অবস্থিত শহীদ আসিফ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান ও সেক্রেটারি নুরুন নবী। এতে সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
গণমিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিবির নেতারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও আত্মত্যাগকে মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। তারা দাবি করেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও গণরায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শক্তিগুলোই এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও বহু প্রাণের বিনিময়ে দেশ থেকে ফ্যাসিবাদকে বিদায় করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের সময় ‘কোটা না মেধা’, ‘আজাদি না গোলামি’ এবং ‘দিল্লি না ঢাকা’—এসব স্লোগান গণমানুষের কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সমাবেশে বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বক্তারা অভিযোগ করেন, ‘মেধা না কোটা’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়ন এখনো দৃশ্যমান নয়। তাদের ভাষায়, যে জাতি মেধার যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারে না, সে জাতি কখনো টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে না।
সবশেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
আবু জাফর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
