শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ পাকিস্তানের কিংবদন্তিতুল্য সঙ্গীতশিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানে'র মৃত্যুবার্ষিকী

আজ পাকিস্তানের কিংবদন্তিতুল্য সঙ্গীতশিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানে'র মৃত্যুবার্ষিকী

আজ পাকিস্তানের কিংবদন্তিতুল্য সঙ্গীতশিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানে'র মৃত্যুবার্ষিকী

আজ পাকিস্তানের কিংবদন্তিতুল্য সঙ্গীতশিল্পী এবং আধ্যাত্বিক সঙ্গীত কাওয়ালির জন্য বিশ্বনন্দিত। তাঁর অসাধারণ কণ্ঠের ক্ষমতার জন্য তাঁকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এবং তিনি একটানা কয়েক ঘণ্টা যাবত একই তালে কাওয়ালি পরিবশেন করতে পারতেন। প্রায় ৬০০ বছরের পারিবারিক কাওয়ালি ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠে, তিনি কাওয়ালি সঙ্গীতকে বিশ্বসঙ্গীতে পরিণত করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। তিনি শাহেন শাহ এ কাওয়ালি, যার অর্থ কাওয়ালির রাজাদের রাজা সম্রাট, হিসেবে বেশ জনপ্রিয়।


নুসরাত ফতেহ আলী খান পাকিস্তানী ও ভারতীয় সিনেমায় অনেক গান করেছেন। এ আর রহমানের ‘বন্দে মাতেরম’ এ্যালবামে ‘গুরুস অব পিস’ গানে কন্ঠ দেন। এ ছাড়া আরও অনেকের সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি পশ্চিমা সঙ্গীতের সঙ্গে কাওয়ালির অভূতপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটান। প্রকাশিত হয়েছে অসংখ্য অডিও -ভিডিও এ্যালবাম। তার জনপ্রিয় কয়েকটি গান হল- আল্লাহ হু, ইয়ে জো হালকা হালকা, মাস্ত মাস্ত, হক্ব আলী আলী, শাহবাজ কালান্দার, ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম, কিনা সোনা, মেরা সাইয়া, নি মাই জানা জোগি যে নীল এবং তুমহে দিল্লাগি ভুল জানি পড়েগি।


পাকিস্তানের কিংবদন্তীতুল্য সঙ্গীত শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খান ১৩ অক্টোবর ১৯৪৮ সালে ফয়সালাবাদ, পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করেন। নুসরাত ফতেহ আলী খান ১৯৮৭ সালে সঙ্গীতে অবদানের জন্য পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এ্যাওয়ার্ড ফর প্রাইড অব পারফরম্যান্স গ্রহণ করেন। ১৯৯৫ সালে পান ইউনেস্কো মিউজিক প্রাইজ। ১৯৯৬ সালে মন্ট্রিয়েল ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে গ্রান্ড পিক্স ডেস আমেরিকাস পুরস্কার জিতেন। একই বছর পান ফুকুয়োকা এশিয়ান কালচারাল প্রাইজ।

 

এ ছাড়া আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন। তার ওপর ৫টির মতো ডকুমেন্টারি নির্মিত হয়েছে। ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিনে তাকে ৬০ বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ ১২ জন শিল্পীর অন্যতম হিসেবে তুলে ধরে।
পাকিস্তানী এই ভূবনখ্যাত শিল্পী ১৯৯৭ সালের ১৬ আগস্ট লন্ডনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।