শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভাড়া নিল ভারত কেন?

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভাড়া নিল ভারত কেন?

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভাড়া নিল ভারত কেন?

ভারত মহাসাগরে সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও দুটি সর্বাধুনিক ‘সি গার্ডিয়ান’ ড্রোন ভাড়া নিয়েছে ভারত। মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘জেনারেল অ্যাটমিকস’-এর সঙ্গে ১ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকার এই চুক্তির আওতায় ড্রোন দুটি আগামী ৩০ মাস ভারতীয় নৌবাহিনীতে কাজ করবে।

ভারত সরকার আগেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্থায়ীভাবে ৩১টি ড্রোন কেনার বড় চুক্তি করেছে। তবে কাগজপত্রের প্রক্রিয়া শেষ করে সেই কেনা ড্রোনগুলো ভারতে পৌঁছাতে ২০২৯ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। কেনা ড্রোন হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত যাতে সমুদ্রে নজরদারিতে কোনো ফাঁক তৈরি না হয়, মূলত সেই কারণেই জরুরি ভিত্তিতে এই দুটি ড্রোন ভাড়া করা হয়েছে।

সামরিক সরঞ্জাম কেনার চেয়ে ভাড়া নেওয়ার বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে। ড্রোন রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামতের মূল দায়িত্ব থাকে সরবরাহকারী কোম্পানির ওপর। যেমন, ২০২৪ সালে একটি ড্রোন কারিগরি ত্রুটির কারণে সাগরে ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোম্পানিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভারতকে আরেকটি নতুন ড্রোন দিয়েছিল।

বিশ্বের অন্যতম সেরা নজরদারি যান হিসেবে পরিচিত এই ড্রোন আকাশে টানা ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় একটানা উড়তে পারে। এটি শুধু জাহাজের গতিবিধিই নয়, পানির নিচে থাকা সাবমেরিনও শনাক্ত করতে পারে।

বর্তমানে সমুদ্রপথে বৈশ্বিক উত্তেজনা বাড়ায় ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকা পাহারা দেওয়া ভারতের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। নতুন এই চুক্তির ফলে ২০২৯ সালে নিজস্ব কেনা ড্রোন হাতে আসার আগ পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই ভারত মহাসাগরে কড়া পাহারা চালু রাখতে পারবে নৌবাহিনী।