ফিলিস্তিনে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে দেশটির আরও একটি স্কুল। অধিকৃত পশ্চিম তীরের মাসাফের ইয়াত্তা এলাকার শা’ব আল-বুতুম স্কুলের দুটি প্রশাসনিক কক্ষ ও একটি স্টোররুম গত ৪ আগস্ট গুঁড়িয়ে দেয় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইল বলছে—নির্মাণের অনুমতি না থাকায় এসব স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু স্কুলটির বাকি অংশও এখন ধ্বংসের হুমকিতে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর এ নিয়ে আদালতে শুনানি হওয়ার কথা। ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ফিরতে পারবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে শিক্ষার্থীরা।
মাসাফের ইয়াত্তার স্থানীয় কাউন্সিল প্রধানের দাবি, পুরো এলাকায় থাকা সাতটি স্কুলই এখন ধ্বংসের ঝুঁকিতে রয়েছে।
জাতিসংঘের হিসাবে, পশ্চিম তীরের এরিয়া সি ও পূর্ব জেরুজালেমে প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে পাঠদান করা ৮৪টি ফিলিস্তিনি স্কুল বর্তমানে ধ্বংসাদেশ বা নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশের আওতায় রয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, স্কুল ধ্বংসের পাশাপাশি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা ও চলাচলে বিধিনিষেধও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে।
জাতিসংঘ বলছে, এরিয়া সি-তে ফিলিস্তিনিদের জন্য ইসরাইলি নির্মাণ অনুমতি পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। ফলে ধ্বংসের হুমকিতে থাকা স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষার্থীদের সহজে অন্য স্কুলে স্থানান্তর করাও সম্ভব নয়।
শিক্ষাবর্ষ শুরুর মুখে তাই বই-খাতা নিয়ে স্কুলে ফেরার বদলে, ফিলিস্তিনি শিশুদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে—তাদের স্কুলটি আদৌ টিকে থাকবে কি না, সেই অনিশ্চয়তায়।