১৯৭৭ সালের ৩০ আগস্ট চাঁদপুর জেলার মতলবে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা ছিলেন জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন এবং মাতা হাসিনা আক্তার খানম ছিলেন একজন প্রধান শিক্ষিকা। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে মুন্নী ছিলেন সবার ছোট। শৈশবে শান্তশিষ্ট, চুপচাপ আর গানপ্রেমী মুন্নীকে গান শেখার প্রথম অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন তাঁর মা।
চাঁদপুরেই তাঁর শৈশব-কৈশোর ও প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন হয়। পরে ঢাকার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ছোটবেলা থেকেই গানে অনন্য মুন্নী পাঁচবার জিতেছেন জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতার শ্রেষ্ঠ পুরস্কার। মাত্র সাত বছর বয়সেই “কচি কাঁচার আসর”-এ গান গেয়ে রোকনুজ্জামান খান দাদা ভাইয়ের প্রশংসা ও সম্মাননা লাভ করেন। ১৯৮৭ সালে জাতীয় পুরস্কার পান তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের হাত থেকে।
১৯৯৭ সালে শওকত আলী ইমনের সুরে জননেতা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হন। এরপর কয়েক শতাধিক চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ বেতার থেকে প্রথম পারিশ্রমিক পান ১৯৯৬ সালে।
আধুনিক গান, দেশাত্মবোধক গান, লালনগীতি কিংবা হারানো দিনের গান—সবক্ষেত্রেই তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ। কণ্ঠশিল্পীর পাশাপাশি এবিসি রেডিওতে অনুষ্ঠান প্রযোজক হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন এবং বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি অনুষ্ঠান উপস্থাপনাও করছেন সফলভাবে।
কণ্ঠশিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী গীতিকার কবির বকুলের সহধর্মিণী। তাঁদের দুটি কন্যা— প্রেরণা ও প্রতীক্ষা এবং এক পুত্র প্রচ্ছদ।
আজকের এই বিশেষ দিনে
দিনাত জাহান মুন্নীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
সঙ্গীতময় দীর্ঘ হোক তাঁর পথচলা।
