শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৭ বছর পর ভারত সফরে শি, বৈঠকে যে বার্তা দিলেন মোদি

৭ বছর পর ভারত সফরে শি, বৈঠকে যে বার্তা দিলেন মোদি

৭ বছর পর ভারত সফরে শি, বৈঠকে যে বার্তা দিলেন মোদি

দীর্ঘ সাত বছর পর ভারত সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবার নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।

এর আগে দুই দিনের সফরে শনিবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছান শি জিনপিং। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম  বলছে, বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদা। এরপর ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি।

বৈঠকের শুরুতে মোদি শি জিনপিংকে স্বাগত জানিয়ে ব্রিকস সম্মেলনে তার ইতিবাচক বক্তব্য এবং ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বে চীনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, এখন দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

 

জবাবে শি জিনপিং বলেন, গত ১৫ জুন নিজের জন্মদিনে তিনি ভারত সফরের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। গত কয়েক বছরে মোদির সঙ্গে তার ২১ বার বৈঠক হয়েছে এবং এসব বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ককে স্থিতিশীল উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য হয়েছে।

চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, জাতীয় পরিস্থিতিতে পার্থক্য থাকলেও ভারত ও চীন পরস্পরের শক্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে একে অন্যকে সহযোগিতা করতে পারে এবং অভিন্ন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে।

বিশ্বের দুই সর্বাধিক জনবহুল দেশ ও গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভারত-চীনের বড় দায়িত্ব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৈঠকে সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত বরাবরই বলে আসছে, সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে চীন ঐতিহ্যগতভাবে সীমান্ত বিরোধকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অন্যান্য বিষয় থেকে আলাদাভাবে দেখার পক্ষে।

মোদি-শি বৈঠকের আগে গত মাসের শেষ দিকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে বেইজিংয়ে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।

সেখানে সীমান্ত নির্ধারণ, আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা এবং এলএসি বরাবর শান্তি বজায় রাখার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

ভারত-চীন সীমান্ত আলোচনায় ডোভাল ও ওয়াং ই নিজ নিজ দেশের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যবস্থার লক্ষ্য ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত বিরোধের সমাধান খুঁজে বের করা।