সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ক্ষমতার দাপটে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের উপর ক্ষীপ্ত প্রতিমন্ত্রী

ক্ষমতার দাপটে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের উপর ক্ষীপ্ত প্রতিমন্ত্রী

ক্ষমতার দাপটে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের উপর ক্ষীপ্ত প্রতিমন্ত্রী

গত ২ দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর একটা ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে,কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় মাল্টিমিডিয়া চেক ফ্যাক্ট অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন সামনে বসা কেউ আওয়াজ করছিলো,অথবা কোন নেতার পাঠানোর লোক দিয়ে উনাকে বরণ করার জন্য স্লোগান সহকারে ঐ অনুষ্ঠানস্হলে প্রবেশ  করছিলো,প্রতিমন্ত্রী বিরক্ত হয়ে ছেলেটির নাম পরিচয় জানতে চাইলেন, কোত্থেকে এসেছ,কে তোমাকে এখানে দাওয়াত দিয়েছে,কার সঙ্গে এসেছ ইত্যাদি ইত্যাদি।
এক পর্যায়ে ছেলেটির নাম পরিচয় জেনে পদ-পদবী নোট করলেন হয়তো ব্যবস্থা নিবেন এখন যেহেতু মন্ত্রী তাই ক্ষমতার পাওয়ার খাটাবেন।

ছেলেটির নাম মো,সাইদুল ইসলাম উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম- আহ্বায়ক,এসেছে জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো:- শহীদুল্লাহ্ কায়সারের সাথে অথবা নির্দেশক্রমে।

প্রতিমন্ত্রীর আচার আচরণে সবাই ক্ষোব্ধ, প্রতিমন্ত্রীর বিগতদিনের আমলনামা নিয়ে হাজির হইছেন কেউ কেউ,১৭ বছর কোথায় ছিলেন,কি করছেন দলের জন্য কি ভূমিকা পালন করছেন এসব বিষয় নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে। আমি ১৭ বছরের হিস্টোরি টানতে চাইনা,আমি অন্য বিষয়ে দুটো কথা বলতে চাই-

হ্যা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হট্টগোল করলে বিরক্ত লাগে এটা স্বাভাবিক বিষয়,সেজন্য দু'একটা ধমক টমক দিয়ে থামিয়ে দেওয়া যায় এবং এটাই প্রকৃত রাজনীতিবিদরা করে থাকেন,সেচ্ছাসেবক নেতা সাইদুল এমন কোন উশৃংখল আচরণ বা হট্টগোল করে নাই যার জন্য সরি বলার পরেও তাকে পানিশমেন্ট দেওয়ার জন্য নাম পরিচয় লিখে নিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী সাহেব আপনি জানতে চাইছেন কে তোমাকে এখানে দাওয়াত দিয়েছে?
আপনাদের মতো বড় নেতারা (এখন বড়) যখন কোথাও যায় তখন অঘোষিত রোলস হচ্ছে সংশ্লিষ্ট এলাকার নেতাকর্মীরা প্রোটোকল দিবে বা দেয়,প্রোটোকল দিতে হয় এটাই নিয়মে পরিণত হইছে,আপনাদের প্রোটোকল না দিলেও আবার বলেন"কই আপনার/তোমাদের জেলা/উপজেলায় আসলাম লোকজন কোথায়"কমিটির নেতাকর্মী কই? তোমাদের সাংগঠনিক অবস্থা খুব খারাপ ইত্যাদি ইত্যাদি"

আমাদের মতো ছোট কর্মীরা আপনাদের মতো বড় নেতা বা মন্ত্রীর সাথে দেখা করা বা কথা বলা, ছবি তোলার একটা আগ্রহ থাকে এটা রাজনৈতিক আকাঙ্খা,এটা হয়ে আসছে বহুকাল ধরে নেতারাও এসব বোঝে জানে,যারা রিয়েল পলিটিশিয়ান।

এই যে আজকে যাকে ধমকালেন এই ছেলেটাই কিন্তু আপনার গাড়ী বহরের সাথে এসেছে বকা না দিলে যেতোও। 
আপনার গাড়ী বহরের সাথে কেন এসেছে জানেন? আপনার উপরে যেন বিরোধী পক্ষ পলাতক স্বৈরাচার ফ্যাসিস্টের কেউ আক্রমণ করতে না পারে, কেউ আক্রমণ করলে বহরের সাথে থাকা পুলিশগুলো নিরাপদ দূরত্বে চলে যাবে কিন্তু নেতাকর্মীরা আপনাকে রক্ষা করার জন্য ঢাল হয়ে যাবে। এরা আপনাকে পাহাড়া দেওয়ার জন্য চলে এসেছে কোন কিছু নিতে আসেনি।

মন্ত্রী/নেতাদের বলবো কর্মী সমর্থকদের সাথে মালিকের মতো আচরণ করবেন না,আপনি যার দল করেন কর্মীটাও তার দল করে আমি আপনি কেউই এ দলের মালিক না,আমরা সবাই জিয়াউর রহমান,বেগম খালেদা জিয়া, ও তারেক রহমান কে ভালবেসে তাদের দল করি।

 

 

মো:--মাহফুজুল হক খান (জিকু)

 কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি