শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পিরোজপুরে দুই হিপ নষ্ট হয়ে শয্যাশায়ী আনোয়ার

পিরোজপুরে দুই হিপ নষ্ট হয়ে শয্যাশায়ী আনোয়ার

পিরোজপুরে দুই হিপ নষ্ট হয়ে শয্যাশায়ী আনোয়ার

বাবার ছায়া হারিয়েছেন আগেই, আর মাত্র দুই মাস আগে চিরতরে হারিয়েছেন মাকেও। স্বজন হারানোর সেই শোক না শুকাতেই এবার জীবনের প্রদীপ নিভে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে মো. আনোয়ার হোসেনের (৩২)। দুটি হিপ (কোমর বা জয়েন্ট) সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে এখন বিছানায় দিন কাটছে তাঁর। ঘরে তাঁর তিন বছরের একটি অবুঝ শিশু সন্তান, যার মুখের দিকে তাকিয়ে তিলে তিলে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন এই অসহায় পিতা।  
‎​পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাড়িপাড়া বটতলা এলাকার বাসিন্দা মৃত মো. আবুল খলিফা ও মৃত রওশন আরার ছোট ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে ছোট আনোয়ার এক সময় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করে পরিবারের খরচ সামলাতেন। কিন্তু আজ তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব। নিজের জটিল অসুস্থতা ও মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটেমাটি ও সহায়-সম্পত্তি সবই বিক্রি করে ফেলেছে পরিবারটি। এখন তিন ভাইয়ের নিজেদের চলাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে, তার ওপর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আনোয়ার শয্যাশায়ী থাকায় পুরো পরিবারে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার।  
‎​চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আনোয়ার হোসেনকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে হলে দুটি হিপ জয়েন্টেই দ্রুত অস্ত্রোপচার (অপারেশন) করা অত্যন্ত জরুরি ও বাধ্যতামূলক। প্রতিটি অপারেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা—অর্থাৎ দুটি অপারেশনের জন্য মোট ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন। সর্বস্ব হারিয়ে আজ এই বিশাল অঙ্কের চিকিৎসা ব্যয় বহন করার মতো বিন্দুমাত্র সামর্থ্য নেই তাঁর স্বজনদের।  
‎​আনোয়ারের এই করুণ অবস্থায় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর বড় দুই ভাই, চাচাসহ নিকট স্বজনরা। আকুল কণ্ঠে তাঁর এক ভাই বলেন, "মা-বাবা কেউ নেই, আমরা তিন ভাই। আমাদের ছোট ভাইটা আজ এতো অসুস্থ, ওর ছোট বাচ্চাটা কীভাবে বাঁচবে? বাবার জায়গা-জমি যা ছিল তা বিক্রি করেই চিকিৎসা করা হয়েছে, এখন আমাদের চলারই কষ্ট। ভাইটাকে সুস্থ করে তুলতে আপনাদের সবার কাছে একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছি।"  
‎​আনোয়ারের কান্নাজড়িত আকুতি ও স্বজনদের অমানবিক কষ্ট দেখে দেশের বিত্তবান, প্রবাসী ও সর্বস্তরের মানবতাবাদী মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে। সমাজের মানুষের সামান্য ১০, ২০ কিংবা সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতাই পারে আনোয়ারকে সুস্থ করে একটি অবুঝ শিশুর মাথার ওপর থেকে পিতা হারানোর ঝুঁকি দূর করতে।  
‎​সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা:
‎আপনার একটুখানি মানবিক সহায়তা ফিরিয়ে দিতে পারে আনোয়ার হোসেনের স্বাভাবিক জীবন। সাহায্য পাঠানোর জন্য রোগীর নিজ মোবাইল ব্যাংকিং পার্সোনাল নম্বর:  
‎​বিকাশ / নগদ / রকেট:০১৭১৪৯৪৭৭৫৭(পার্সোনাল)
‎​আসুন, দলমত নির্বিশেষে এই অসহায় পঙ্গু পিতার পাশে দাঁড়াই। আপনার ছোট পদক্ষেপই হতে পারে একটি পরিবারের বেঁচে থাকার একমাত্র আশ্রয়। 

 

মোঃশাহিন ফকির,
‎​পিরোজপুর প্রতিনিধি: