বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নলডাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন

নলডাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন

নলডাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন


ক্ষতিকর পোকা  শনাক্তে ‘আলোক ফাঁদ’অপ্রয়োজনীয় বালাইনাশক ব্যবহার রোধে নাটোরের নলডাঙ্গায় আলোক ফাঁদ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এতে একদিকে যেমন ফসলের উৎপাদন খরচ কমছে,অন্যদিকে রক্ষা পাচ্ছে পরিবেশ ও উপকারী পোকামাকড়।
উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে সোমবার সন্ধায় উপজেলা ভট্টপাড়া গ্রামে এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সবুজ আলী বলেন,গতানুগতিক পদ্ধতিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্ষতিকর পোকার সাথে বন্ধুভাবাপন্ন বা উপকারী পোকাও মারা যায়। এর বিরূপ প্রভাব পড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষেতে আলো জ্বালিয়ে নিচে সাবান বা কেরোসিন মিশ্রিত পানির পাত্র রেখে আলোক ফাঁদ তৈরি করছেন।

আলোর আকর্ষণে ফাঁদে পড়া পোকামাকড় দেখে ক্ষেতে কী পরিমাণ ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা রয়েছে, তা শনাক্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পোকার উপস্থিতি অনুযায়ী কৃষকদের বালাই ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

আলোক ফাঁদ কর্মসূচি পরিদর্শন করেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা কৃষকদের উদ্দেশ্যে কর্মকতারা বলেন,অনেক সময় না বুঝেই জমিতে অতিমাত্রায় বিষ প্রয়োগ করা হয়,যা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি বন্ধু পোকা ধ্বংস করে। আলোক ফাঁদের মাধ্যমে পোকা চিনে পরিমিত বালাইনাশক দিলে ফসল নিরাপদ থাকবে এবং কৃষকরাও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। এই পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকদের অপচয় যেমন কমছে,তেমনি আগাম বালাই সতর্কতা নিশ্চিত করাও সম্ভব হচ্ছে।

সিরাজুল ইসলাম 
নলডাঙ্গা নাটোর সংবাদদাতা