কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মশা নিধনে স্প্রে করা হয় এবং ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। করিমগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মশা ধ্বংসের জন্য স্প্রে প্রয়োগ করা হয়। ডেঙ্গু ও মশাবাহিত অন্যান্য রোগের ঝুঁকি কমাতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্ষা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি এডিস মশার প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু ওষুধ ছিটানোই নয়, বাড়ির আশপাশ, নালা-নর্দমা, পরিত্যক্ত পাত্র, ফুলের টব ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ করাও জরুরি।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কর্মসূচির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
করিমগঞ্জে জেলা পরিষদের এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কর্মসূচিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গুমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করিমগঞ্জ গড়ে তোলাই হোক এ ধরনের কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
করিমগঞ্জ (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: শেখ রোমান।
