বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শুভ জন্মদিন বলিউডের ড্রিমগার্ল হেমা মালিনী

শুভ জন্মদিন বলিউডের ড্রিমগার্ল হেমা মালিনী

শুভ জন্মদিন বলিউডের ড্রিমগার্ল  হেমা মালিনী

রূপালি পর্দার এক অনন্যা, বলিউডের কালজয়ী অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক — হেমা মালিনী।


তাঁকে বলা হয় “ড্রিমগার্ল” — এই উপাধিই যেন আজও তাঁর নামের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।


১৯৬৮ সালে “স্বপ্ন কা সওদাগর” চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তারপরের দুই দশক জুড়ে রাজেশ খান্না, ধর্মেন্দ্র, দেব আনন্দ, অমিতাভ বচ্চন, জিতেন্দ্র, শক্তি কাপুরসহ শীর্ষ নায়কদের সঙ্গে জুটি বেঁধে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী চলচ্চিত্র — “সীতা অউর গীতা”, “শোলে”, “ড্রিমগার্ল”, “জনি মেরা নাম”, “বাগবান”, “সাগর”, “সত্যম শিবম সুন্দরম” প্রভৃতি।
তাঁর অসাধারণ নৃত্যনৈপুণ্য, মাধুর্য ও অভিনয়গুণে তিনি দ্রুতই বলিউডের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় নায়িকায় পরিণত হন।


সর্বমোট ১১ বার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পান এবং ২০০০ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত করে।


হেমা মালিনী জাতিগতভাবে তামিল ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা ভি. এস. আর. চক্রবর্তী, এবং মাতা জয়ালক্ষ্মী চক্রবর্তী—যিনি নিজেও ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক। ছাত্রজীবনে ইতিহাসে পড়াশোনা করার পাশাপাশি তিনি নারী অধিকার ও নৃত্যকলার প্রতি আগ্রহী ছিলেন।
১৯৮০ সালে হেমা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে। এই জুটিকে বলিউড ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে ধরা হয়। তাঁদের দুই কন্যা — এশা দেওল ও অহনা দেওল, যাঁদের মধ্যে এশা তাঁর মায়ের মতোই অভিনয় জগতে পদার্পণ করেছেন।

 

তাঁর ভাতিজি মধু, যিনি “রোজা” (১৯৯২) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন, সেও হেমা মালিনীর পারিবারিক উত্তরাধিকারের আরেক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

 

সিনেমার পাশাপাশি হেমা মালিনী একজন সফল শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী ও রাজনীতিবিদ। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) হয়ে সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।


রূপ-লাবণ্য, মেধা, প্রতিভা ও ব্যক্তিত্বের মেলবন্ধনে তিনি আজও কোটি ভক্তের হৃদয়ে চিরসবুজ ‘ড্রিমগার্ল’।


জন্মদিনে কিংবদন্তি এই শিল্পীর প্রতি রইল জানাই অফুরন্ত শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।
তাঁর জীবনের প্রতিটি দিন হোক আলো, সুর ও ভালোবাসায় ভরপুর।

বিনোদন প্রতিবেদক
মোহিত লাল সাহা